যে ভাই তোমাকে এমন সেলসম্যান হইতে হবে যে যে লোকের চুল নাই তার কাছেও চিরুনি বেচা দিয়ে দিতে হবে। এখন খেয়াল করো যে লোকের চুল নাই তার কি আসলে চিরনি দরকার আছে? গ্রোথ হ্যাকিং এর পুরা জিনিসটাই কাজ করবে যদি এটা এনসিওর হয় যে আমার প্রোডাক্টের ডিমান্ড আছে। সেটা আমি কেমনে এনসির করবো সেগুলো আমরা শিখবো। প্রোডাক্ট বানানোর আগে বেঁচে দেওয়া। বানানোর আগে যদি বেচতে পারো তাইলে তুমি সুপার কনফিডেন্ট হয়ে যাবা যে আমার প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট। বিভিন্ন রকম ভাবেই তো আমি বিজ্ঞাপন করতে পারি। এর মধ্যে আরও আই যেটা বলে রিটার্ন অন
ইনভেস্টমেন্ট মানে কয় টাকা খরচ করে কয় টাকা রিটার্ন আসে তার মধ্যে ওরা এক নাম্বারে দেখাইছে ইমেইল এটাকে বলা হয় লিড ম্যাগনেট ওইটা ইউজ করে তুমি ইমেইল এড্রেসও কালেক্ট করতে পারো হ্যা নাম্বারও কালেক্ট করতে পারো তাইলে সুবিধা যেটা হইলো যে কারা কারা তোমাকে ইমেইল এড্রেস দিল যারা তোমার এই কন্টেন্টে ইন্টারেস্টেড আন্দাজে যেকোন লোক না আসসালামু আলাইকুম দর্শক যারা দেখছেন একচুয়ালি এই মুহূর্তটা আমার জন্য একটু স্মরণীয় মুহূর্ত এইজন্য যে আমি এই যে ভিডিওটা এই ভিডিওটা করার প্ল্যান করেছিলাম বোধয় আজ থেকে আরো চার পাঁচ বছর আগে চার
পাঁচ বছর ধরে মানে প্ল্যানের বাস্তবায়ন করাই হচ্ছিল না তো আজকে অবশেষে প্ল্যান বাস্তবায়ন শুরু করলাম ইনশআল্লাহ আল্লাহ যদি তৌফিক দান করেন তো আমি আজকে যে টপিকটা নিয়ে কথা বলব আজকে না শুধু বেশ কয়েকটা সেশন এটা নিয়ে কথা বলব। এই টপিকটা আমার মানে সারা জীবনে যতগুলা এক্সাইটিং টপিক মানে পড়ে আমি খুব এক্সাইটেড হইছি তার মধ্যে এটা অন্যতম একটা টপিক। এটা যে আমি ট্রুলি এক্সাইটেড ছিলাম তার প্রমাণ হচ্ছে যে এই টপিকটা আমি যখন শিখি তারপর আমার টিমকে এটা শেখানোর চেষ্টা করি। ওদেরকে আমি অনেকগুলো সেশন নিয়েছিলাম টানা 2000 মোস্ট
প্রবলি 18র দিকে। 18 19 এর দিকে। তারপর হচ্ছে আমি আমার কনসার্ন গুলাতে সবগুললাতে না হলে কয়েকটাতে টিম ফর্মও করেছি যে এই যে আজকে যেটা নিয়ে কথা বলব গ্রোথ হ্যাকিং এটা কিভাবে আমরা ইমপ্লিমেন্ট করতে পারি সো এখনো আমরা গ্রোথ হ্যাকিং করি যদিও একচুয়ালি প্রপারলি গ্রোথ হ্যাকিং যে স্পিডে করা দরকার সেটা আমরা এখনো পারি নাই করি নাই করতে পারি নাই এটা আমাদের ফেল বাট আমি আশা করি যে যারা এটা শিখবেন হতে পারে যে আমাদের চেয়েটা ভালো ইমপ্লিমেন্টেশন করতে পারবেন কারণ একটা জিনিস জানা এক জিনিস ইমপ্লিমেন্ট করাটা কিন্তু একটা
ভিন্ন স্কিল ইমপ্লিমেন্ট করাটা কিন্তু মোস্টলি হচ্ছে যে এটা ডিপেন্ড ডিসিপ্লিনের উপর বা অনেকে ডুয়ার এটিচিউডের হ্যা যে মানে তারা মানে যতটুকু শিখছে করে ফেলে। তো আমার ওই ডুয়ার এটিচিউডটা একটু কম বাড়ানোর চেষ্টায় আছি। আর আমি দর্শকদের দিকে তাকিয়ে কথাগুলো বললাম। বাট আমাদের এখানে একটা অডিয়েন্স আছে ছোট্ট অডিয়েন্স। অডিয়েন্স থাকলে সুবিধা হয় যেটা ইন্টারেক্ট করা যায়। সো আমি এখন থেকে আলোচনাটা আমাদের অডিয়েন্সের দিকে তাকিয়ে করব। সো দর্শকরা আপনারা লেফট আউট ফিল কইরেন না। আপনারাও পারফ অডিয়েন্স। তো কি খবর? আমাদের যারা
আপনারা আসছেন সবাই ভালো? আপনি বলবো না তুমি বলব। সবাই তো আমার চেয়ে অনেক ছোট না তুমি করে বলি তাহলে এটা মানে ক্যাজুয়াল হবে না আপনি বললে একটু বেশি ইয়া ইয়া লাগে দূর পড়া মানে কি নাম বলে একটু পরপর লাগে তো আমি টপিকের নামটা লিখে ফেলি আগে গ্রোথ আমার হাতের লেখা ভালো না মোটামুটি আর আমি খুব এলো এলো টাইপের আর কিযে লিখতে গেলে গোছায় লিখতে পারি না এখানে একটু লিখি ওখানে একটু লিখি তো চেষ্টা করব যতটুক সাজায় গোছায় লিখতে পারি গ্রোথ তো সবাই বুঝি গ্রোথ মানে বৃদ্ধি তাই না আর হ্যাকিং হ্যাক শব্দটা হ্যাকিং শব্দটার সাথে মোস্টলি নেগেটিভ কনোটেশন আছে। মানে
হ্যাকিং বলতে আমরা ইন জেনারেল বুঝি খারাপ কিছু চুরি করা ইত্যাদি ইত্যাদি। বাট আমরা যদি বাই দা বুক যাই হ্যাকিং মানেই যে খারাপ কিছু এটা কিন্তু না। হ্যাক বলতে বোঝায় মূলত হল কি যে কোন একটা জিনিস শর্টকাটে করে ফেলা। মানে ইফিশিয়েন্টলি করে ফেলা। যদি আমি পজিটিভ টার্মে বলি হ্যাকিং কাইন্ড অফ বিং ইফিশিয়েন্ট। ঠিক আছে? ইফিশিয়েন্সি হওয়াটাকে হ্যাকিং বলা হয়। বাট গ্রোথ হ্যাকিং যখন আমরা এখানে ইউজ করতেছি অনেকের মাথায় মনে হইতে পারে যে চোড়া বুদ্ধি বা শয়তানি বুদ্ধি ব্যাপারটা একচুয়ালি না আমরা যত ভিতরে যাব তত আমরা জানবো যে এটা শুধু ভালো বুদ্ধি তো বুদ্ধি
বাট মোস্ট কাইন্ড অফ ইথিকাল মানে ইথিক্যাল বলতে বিজনেস করতে গেলে অনেক আনথিক্যাল কিছু হইতে পারে বাট এটা অনেক ইথিক্যাল জিনিস আর এইটা কেন এত ইম্পর্টেন্ট টু ডিসকাস কারণ হইলো যে আমরা আধুনিক জামানায় যে কোম্পানিগুলা আমরা চিনি গ্লোবালি সবাই চিনি লাইক ফেসবুক বলি উবার বলি তাই না Instagram বলি হয়াপ বলি এই যে কোম্পানিগুলা এর সাথে যদি আমরা কম্পেয়ার করি একটু যেগুলো একটু পুরনো আমলের কোম্পানি আমরা একটা বেসিক ডিফারেন্স দেখব যে আগেকার একটা স্টাইল ছিল যে একটা কোম্পানি যখন ক্রিয়েট করা হইতো লম্বা একটা সময় নিয়ে প্রিপেয়ারড হইতো তারপরে একটা
ধামাকা প্রোগ্রাম হইতো লঞ্চিং ইভেন্ট হইতো পেপারে টেপারে নিউজ চলে যাইতো মানুষ বুঝতো যে কিছু একটা হইছে বাট যদি আমরা ফেসবুকের কথা বলি বা বাংলাদেশের এক্সাম্পলও যদি ফর এক্সাম্পল পাঠাবের কথা বলি আমরা খেয়াল করব যে ফেসবুক কবে তার লঞ্চিং ইভেন্ট করছিল এবং কত বড় ইভেন্ট ছিল এটা কি স্টেডিয়ামের মধ্যে ছিল না কোথায় ছিল দেখব যে আমরা কেউ জানি নাই এটা ঠিক কিনা কোথায় স্টার্ট হইছে জানাও নাই ঠিকমত উবার কবে কোথায় স্টার্ট হইছে কত বড় লঞ্চিং সিরামনি ছিল জানা নাই হোয়াটসঅ্যাপ কবে লঞ্চিং হইছে সিরামনিটা কেমন ছিল জানা
নাইলে এই যে ভয়াবহ বড় কোম্পানি যেগুলো পৃথিবীর ইতিহাসে এত শর্ট টাইমে এত বড় কোম্পানি কিন্তু হয় নাই। এত শর্ট টাইমে এই যে কোম্পানিগুলা এত শর্ট টাইমে এত বড় হইছে তারা আসলে কিভাবে হইছে? তাদের ওই ওই যে মূল টেকনিকগুলা ওগুলাকে কম্বিনেশন করলে মূলত বলা যেতে পারে তারা গ্রোথ হ্যাক করছে। গ্রোথটাকে হ্যাক করে। হ্যাক মানে ইফিশিয়েন্টলি করছে। যে ভয়ঙ্কর স্পিডে গ্রোথ হইছে। এন্ড ইফিশিয়েন্টলি। স এখানে আমরা একটা জিনিস তাহলে কিন্তু অলরেডি বুঝে ফেলছি যে গ্রোথ হ্যাকিং এর বিষয়টাতে মানে ট্রেডিশনাল স্টাইলের সাথে একটা ডিফারেন্স আছে। যে ডিফারেন্সটাকে
আমরা আরেকটা শব্দ দিয়েও অনেকে চিনে থাকি। এটাকে লিন বলে লিন। লিন মানে বোঝায় হালকা পাতলা মানে ভারী কিছু না। যেমন লিন স্টার্টআপ একটা বই আছে। লিন স্টার্টপ বইটাতেও তোমরা এখানকার গ্রোথ হাইকিং এর যে ইনিশিয়াল আইডিয়া সেই জিনিসটাও আমরা লিন স্টার্টআপের ওখান থেকেও আমরা কিছুটা পাব। যারা বেশি ইন্টারেস্টেড লিন স্টার্টপ বইটা আমরা দেখে নিতে পারি। গ্রোথ হ্যাকিং এর সাথে আরেকটা শব্দ সবার মাথায় ঘুরে সেটা হচ্ছে গ্রোথ হ্যাকিং বলতেই মানুষ অনেকে মনে করে মার্কেটিং যে আমি কিভাবে বিভিন্ন কায়দা কানুন করে মার্কেটিং করব আমার
প্রোডাক্ট কিভাবে ভাইরাল হয়ে যাবে একচুয়ালি কিন্তু গ্রোথ হ্যাকিং মানে জাস্ট মার্কেটিং না জাস্ট আমি কিছু ট্রিক্স করলাম আর পাবলিক জেনে গেল আর ভাইরাল করলো শেয়ার করলো এটা এটার পার্ট বাট নট লিমিটেড টু দট আর আমি যে কথাটা একটু আগে বলছিলাম যে গ্রোথ হ্যাকিং শুনতে মনে হতে পারে চোড়া বুদ্ধি হয় এটা আরো মোর ইথিকাল সেইটা কেন কিভাবে হবে সে আলোচনাটা একটু পরে আমরা ক্লিয়ার হব। আমরা গ্রোথ হ্যাকিং নিয়ে যখন আলোচনা আসলে আমরা একদম শুরু করতে চাইবো আমার মনে হয় আমি আমি কোন কোন সোর্স থেকে আলোচনা করব সোর্সটাও বলে দেই। সো যারা আরো ডিপার স্টাডি করতে
চাই আমরা সোর্সগুলো ঘাটতে পারি। আমি মূলত দুইটা বই এখানে রেফারেন্স হিসেবে ইউজ করবো। সবচেয়ে বেশি ইউজ করব যেখানে যে বইটার নাম লেখা আছে হাউ আই ক্রিয়েট গ্রোথ হ্যাকিং প্ল্যানস। হ্যাপি আলাদিন নামে একজনের লেখা। বাট এটা একচুয়ালি বই না। এটা একচুয়ালি একটা পিডিএফ। তো আমি এই পিডিএফটার সন্ধান নিয়ে সবার আগে পাই এবং এটা পড়ে ফেলি। আই গট ভেরি এক্সাইটেড। বাট এটা একচুয়ালি বলা যেতে পারে এটা হলো ভাই এক ধরনের নোটস। এটা ঠিক বই না নোটস। মূল যে বইটা যে বইটার উপর বেস করে বা যার থিওরির উপর বেস করে এইটা লেখা ওই বইটার নাম হচ্ছে হ্যাকিং গ্রোথ। হ্যাকিং গ্রোথ।
সিয়িসের লেখা। এবং সিয়ানালিস হচ্ছে ওই ব্যক্তি যিনি হচ্ছে এই টার্মটা চালু করছেন গ্রোথ। চালু করছেন সিয়ানস। হ্যাকিং গ্রোথ বইটা হচ্ছে কাইন্ড অফ টেক্সট বুক। তো অনেকেই আমরা বাংলা টেক্সট বই পড়তে পছন্দ করি না। আমরা পছন্দ করি নোটস সংক্ষিপ্ত গাইড। সো বলা যাইতে পারে এইটা হচ্ছে সে গাইড ভার্সন। যেটার পড়তে একটু মানে একটু মজা লাগবে। একটু ইজি লাগবে। আর এখানে প্রচুর এক্সাম্পল অনেক বেশি আছে। আর হ্যাকিং গ্রোথটা পড়া উচিত যার একটু ডিপার লেভেলে যাইতে চায়। যেটা কাইন্ড অফ টেক্সট বইয়ের মত। আমি এই দুইটা বই থেকে মোর অর লেস আলোচনাটাকে কন্টিনিউ করব।
সো আলোচনা কন্টিনিউয়েশন এর ক্ষেত্রে এই হ্যাপি আলাদিনের যে বইটা বা পিডিএফটা এখানে শুরুতে আট নয়টা মিস্টেক লেখা আছে ওই মিস্টেকগুলোতে আমরা এখন যাবো না বিকজ ওই মিস্টেকগুলা একচুি আলোচনার মধ্যে অলরেডি চলে আসবে তবে গ্রোথ হ্যাকিং নিয়ে তিন চারটা মিথ আছে এই মিথগুলো আমি একটু টাচ করতে চাই এই বইয়ের শুরুর দিকেই তিন চারটা মিথ আমরা পাবো গ্রোথ হ্যাকিং মিথস মিথের মধ্যে নাম্বার ওয়ান যে মিথ মিথ বলতে বাংলায় আমরা কি বুঝি ভুল ধারণা রাইট নাম্বার ওয়ান যে মিথটা সে মিথটা হলো যে আমরা যদি মনে করি যে এরকম ফেসবুক টাইপের বড় কোম্পানি এই কোম্পানিটা কেন এত বড় বিকজ
তাদের প্রোডাক্টটা খুব ফ্যান্টাস্টিক এটা সত্যি এটা মিথ্যা কথা না সো তাহলে ধরা যাক যে ফেসবুক এর মতোই আরেকটা প্রোডাক্ট তোমার হাতে ধরায় দেওয়া হলো ইন্টারেস্টিংলি ফেসবুক বল উবার বল এই ধরনের ক্লোন প্রোডাক্ট কিন্তু অনলাইনে যে বিভিন্ন সাইটটাইট বিক্রি হয় কিন্তু কিনতে পাওয়া যায় তুমি দুই চার হাজার ডলার খরচ করলে একদম ক্লোন বিট টু বিট ক্লোন তুমি খুঁজে পাবা তোমাদের কি মনে হয় ওরকম একটা ক্লোন যদি তুমি পাও তার মানে তুমি ফেসবু হয়ে যাবা কি মনে হয় তোমাদের না এবং এই ধরনের প্রোডাক্ট বানাইতে তো হিউজ এফর্ট গেছে তো গিয়ে তারা যে জায়গায়
আসছে আরেকজন তোমারে জাস্ট ক্লোন বানা দিল তুমি একটু সাথে আরেকটু দুই চারটা আইডিয়া যোগ করলা আর ভাবলা আমিও একটা ফেসবুক হয়ে গেলাম জিনিসটা কিন্তু এরকম না বিকজ এটা একচুয়ি প্রোডাক্ট তোমার হাতে আছে এন্ড প্রোডাক্টের মধ্যে অনেক ফিচার আছে তাই তুমি সাকসেসফুল হবা এ কথা মোটেও সত্যি না। কারণ ওই ধরনের ক্লোন কিনে তুমি যদি লিটারালি বিজনেস মানে ইউজার কিছু ইয়ে করে ট্রাক্ট করে শুরু করে ফেলতে চাও মেবি জাস্ট দুই তিন চার সপ্তাহের মধ্যে করে ফেলা সম্ভব। একজন থেকে কোড বেস নিবা নিয়ে লাগলে কিছু মডিফিকেশন করবা রান করে দিলা। তাইলে গ্রোথ হ্যাকিং হয়ে যাবে না। ঠিক
আছে। এটা এক নাম্বার মিথ। দুই নাম্বার মিথ। এটা একদম কমন মিথ। ফাস্ট মুভার এডভান্টেজ। আমরা এটা একটা কথা নিয়মিত শুনি যে ভাই। সবার আগে করতে হবে। সবার আগে যদি করে ফেলতে পারি তাইলে আমি ফাটায় ফেলতে পারবো। ভাই এই আইডিয়া আর কারো কাছে নাই। আমি দুনিয়াতে প্রথম। একসময় আমিও এরকম ভাবতাম যে ভাই দুনিয়াতে প্রথম কোন আইডিয়াটা আছে। বরং উল্টা দুনিয়াতে বিশেষ করে এই জামানায় দুনিয়াতে প্রথম ট্রাই করা মানে মোটামুটি তোমার ফেইল হওয়ার চান্স আরো বেড়ে যাওয়া। অনেকের কাছে এটা এই মুহূর্তে গ্রহণযোগ্য মনে হয় না হইতে পারে। ভাই কি বলেন? প্রথম হওয়া মানে বরং তোমার সফলতার
পারসেন্টেজ বাড়বে না। তোমার ফেইল করার পারসেন্টেজ বাড়তে পারে। প্রমাণ হিসেবে ধরো আমি তোমাকে বলি যেমন বিখ্যাত কোম্পানি কয়েকটা নাম অলরেডি আমরা বলে ফেলছি। খেয়াল করো ফেসবুক কি করে? সোশ্যাল মিডিয়া। এটা কি পৃথিবীর প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ার আইডিয়া? এর আগে কি ছিল নাকি ছিল? না ছিল। অর্কট ছিল হাইফাই ছিল। মাই স্পেস ছিল। অনেকে তোমরা হয়তো নামও জানো না। আমাদের এই যে আমরা ইউজ করছি। বিশেষ করে ফেসবুকে ঠিক আগ মাই স্পেস মোটামুটি ভালোই পপুলার ছিল ওরা কি টিকছে বাট ওরা কি আগে মুভ আগে মুভ করছে না ওয়েল তুমি সার্চ ইঞ্জিনে যদি বল যে
Google Google কি প্রথম সার্চ ইয়ে করছে Google এর আগে ইয়াহু নামছে বাট তো ফাস্ট মোবার এডভান্টেজ পায় নাই তুমি ধরো রিসেন্ট টাইমের মধ্যে যদি বল উবার উবারের আগে নামছে লিফট লিফট এখনো টিকে আছে বাট দেখো মেজরিটি মানুষ লিফটের নাম জানে না উবার তার চেয়ে বড় সাকসেস তারপর তুমি তুমি ধরো কমিউনিকেশনের মধ্যে আসো WhatsApp। WhatsApp এর আগে কি কিছু ছিল না? Viverr ছিল মেবি তোমরা ইউজ করছো। আমরা একসময় আরো কি কি জানি? নিম্বাজ একটা ছিল। আরো কি কি জানি ছিল। একটা দুইটা না বহুত কিছু ছিল। বাট ওরা তো ফার্স্ট মুভ করছে। তার মানে এটা কিন্তু সত্যি না। যে কেউ ফাস্ট মুভ
করলেই সে জিতে যাবে। বরং ফার্স্ট মুভ করলে জেতার চান্স আরো কমে যায়। যে কারণে সেটা যে ফার্স্ট মুভার তাকে প্রচুর মানে কনসেপ্ট ক্রিয়েট করতে প্রচুর টাকা ঢালতে হয়। মানুষকে বুঝাইতে হয়। তারপর হচ্ছে প্রচুর রিসার্চের মধ্যে দিয়ে ফেইলরের মধ্যে দিয়ে যাই হয়। ধাক্কা ধুক্কা খেয়ে খেয়ে শিখতে হয়। এখন তুমি ধাক্কা ধুক্কা খেয়ে দুই চার বছর কয়েক মিলিয়ন ডলার খরচ টরচ করে একটা জায়গায় আসছো। এখন সেকেন্ড যে তোমাকে কপি করতেছে এবং সে যদি স্মার্টার হয় জাস্ট কপি করলে হবে না। সে যদি স্মার্টার হয় তাইলে দেখো তোমার তিন বছরের রাস্তা হয়তো সে তিন মাসে পাড়ি দিবে। প্লাস
তার ওই টাকাটা সে ইনভেস্ট করবে। এটাকে কেমনে আরো মানে বেটার করা যায়। বোঝা গেছে? সো এটা কিন্তু একটা ইম্পরটেন্ট বিষয় যেটা আমরা অনেকে খেয়াল রাখি না। কারণ ফার্স্ট মুভার হইতে গেলে বিশেষ করে নতুন কনসেপ্ট যদি হয় যে পরিমাণ মার্কেটিং বাজেট দরকার মানুষকে বোঝানোর জন্য এটা কিন্তু এনরমাস। অল্প বাজেটে কিন্তু এটা সম্ভব না। ধরো তুমি তালা চাবি বেচবা। তোমার তালা চাবির ভিতরে হয়তো ইউনিকনেস আছে। মেবি একটা সুন্দর ডিজাইন আছে, থিমেটিক ডিজাইন আছে। এখন তালা কি? চাবি কি কেন এটা দরকার? এটা কি পাবলিকরে বুঝানোর তোমার দরকার আছে? এটা অলরেডি
এস্টাবলিশ। তুমি খালি বলবা তোমার চালা চাবির মধ্যে বিশেষত্ব কি? বাট তুমি এমন এক নতুন জিনিস আনছো জিনিস কি বুঝাইতেই মানুষে দেখা গেল খবর হয়ে যাচ্ছে। তা তুমি কত ডলার খরচ করবা মানুষকে যে নতুন আইডিয়া বুঝাবা এটা কিন্তু এক্সপেন্সিভ। হেভিলি এক্সপেন্সিভ। ঠিক আছে? তো এটা মিথ নাম্বার টু। যে ফাস্ট হওয়া এটা এমন ইম্পর্টেন্ট কিছু না। নাম্বার থ্রি হচ্ছে যে মিথটা এখানে বইতে বলছে সেটা হল যে মানে অনেকে মনে করে যে খুব অসাম একটা সিক্রেট প্রত্যেকটা যে সাকসেসফুল ভেঞ্চার তাদের মেবি একটা খুব অসাম ওয়ান বিগ সিক্রেট আছে ওই সিক্রেটটা জানলে আমি এসটা
হয়ে যাব তো আমি এটার এন্সার এভাবে বলতে পারি যে ভাই কারো একজন বিরিয়ানি খুব মজা হয় হ্যা তো বল যে ভাই কোন মসলার জন্য এত মজা হয় একটা মসলার নাম বল বা একটা ইনগ্রিডিয়েন্টের নাম বল বা একটা কিছুর নাম বল কোন একটা কিছু দিয়ে বিরিয়ানি যে মজা হয় এটা কি ব্যাখ্যা করা সম্ভব তুমি বল যে বিরিয়ানিতে ভাই মাংসটা খুব ভালো হতে হয়তো মাংস খুব ভালো আমি দুনিয়ার সবচেয়ে সেরা মাংস বাছাই করে আনছি। তার মানে বিরিয়ানি মজা হয়ে যাবে। খেয়াল করো কতগুলা জিনিস ঠিক হইলে বিরিয়ানিটা মজা হবে। প্রথমত তোমার ইনগ্রেডিয়েন্ট গুলা রাইট ইনগ্রেডিয়েন্ট
হইতে হবে। যে যে জিনিসটা দরকার তাই না? যে যে মসলা দরকার যা যা দরকার। নাম্বার টু সেগুলার প্রপোরশন রাইট হইতে হবে। সব ঠিক ছিল। লবণ দিছে এতগুলা আর খাওয়াই গেল না। নাম্বার থ্রি প্রপোরশনের বাইরে টাইমিং ঠিক হইতে হবে। সিকোয়েন্স যে আগে কোনটা দিব পরে কোনটা দিব। যে মসলা দেওয়ার কথা সবার পরে তুমি দিয়ে দিছো সবার আগে উল্টাপাল্টা করে ফেলছো হ্যা চাল দেওয়ার কথা আগে সিদ্ধ হওয়ার পরে দেওয়ার কথা মাংস বা হোয়াট এভার তুমি এগুলো সব এলোমেলো করে ফেলছো বাট অনুপাত ঠিক আছে হবে কাজ হবে এগুলা সব ঠিক আছে জাস্ট চুলা জ্বালাতে ভুলে
গেছ খেয়াল করো কতগুলা জিনিস ঠিকঠাক হইলে পুরা জিনিসটা রাইট হবে সো অন্ট্রপ্রেনরশিপ একটা কুকিং একটা তুমি মিল্ক কুক করতেছো ডু ইউ থিংক অন্ট্রপ্রেনরশিপ এর চেয়ে ছোট জিনিস তাইলে তুমি যদি বল ভাই একটা কিছু আমারে বইলে দেন যেটা য জানলেই ভাই আমি ভালোন হব এটা কি সম্ভব কম্বিনেশন অফ লট অফ থিংস অনেক কিছুর কম্বিনেশনে সাকসেসফুল হয় ফলে এটলিস্ট এইটুকু সত্যি যে কোন ওয়ান বিক সিক্রেট নাই এক লাইনে কোন কিছু বলার কিছু নাই যে ভাই এই এক লাইন মানেই হয়ে গেলদার এইখানে বরং আমরা জানবো যে গ্রোথ হ্যাকিং এর ভিতরে যখন আমরা ঢুকবো তখন দেখব
একচুয়ালি হাড্রেড অফ থাউজেন্ড অফ ছোট ছোট ছোটছোট জিনিস কন্টিনিউয়াসলি টেস্ট করা করে করে টুইকিং করা মানে ছোট ছোট অনেক উপাদান মিলে ছোট বড় অনেক উপাদান মিলিয়ে এটা একটা লম্বা জার্নি সাকসেসের ক্ষেত্রে তার মধ্যে যেকোন এক জায়গায় যদি মেজর ফল্ট হয় তাহলে পুরা জিনিস ফেল করতে পারি ধর সবকিছু ঠিক ছিল বাট পার্টনার দুইজনের মধ্যে গন্ডগোল লাইগা গেছে শেষ তাই এরকম অনেক কিছুই হইতে পারে এটা কম্বিনেশন অফ লট অফ থিংস জাস্ট ওয়ান সিঙ্গেল থিং খুঁজে কোন লাভ নাই আর আরেকটা মিথ এখানে আছেযে যে মিথটা আলোচনা করলে তোমরা বুঝবা কেন গ্রোথ হ্যাকিং একটা ইথিক্যাল জিনিস।
সেটা হচ্ছে আমি টার্মটার নাম লিখি সেটা হলো প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট। প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট। এই টার্মটা তোমরা একটু লিখে রাখো। প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট। বা এটাকে মাস্ট হ্যা বলে মাস্ট। একই রকম একই কথা। আমি প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট শব্দটাই বেশি ইউজ করব। বাকে সংক্ষেপে আমি বলব পিএমএফ। পিএমএফ প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট। প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট নাম থেকে মোটামুটি বুঝতে পারতেছো যে আমি যে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস যেটা বানাবো সেটা মার্কেট ফিট কিনা। মানে পাবলিকের চাই কিনা এটার রিয়েলি ডিমান্ড আছে কিনা। আমি এমন জিনিস বানাইলাম যেটা একচুয়ালি পাবলিকের
দরকার নাই। তো বলছে যে তুমি গ্রোথ হ্যাকিং এর যে জিনিসপত্র আমরা শিখবো যে ফ্রেমওয়ার্ক গুলা শিখবো, যে টেকনিকগুলা শিখবো এগুলো কোন কিচ্ছু কাজে আসবে না। যদি তোমার প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট না হয়। এটা অনেকটা হচ্ছে যে মানে বইতে একটা এক্সাম্পল বলছে যে একটা মৃত ক্যান্ডিডেট তার পক্ষে তুমি নির্বাচনী ক্যাম্পেইন চালাচ্ছ যে ডেড তার পক্ষে ক্যাম্পেইন চালাইলা প্রচুর ভোট নিলা এটা কোন লাভ নাই প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট এই জায়গাটাতে দেখো ইথিক্সের প্রশ্নটা কেন কারণ হলো আমরা সেলস মার্কেটিং এ এই ধরনের এক্সাম্পল হয়তো অনেক সময় শুনছি যে বলে যে ভাই
তোমাকে এমন সেলসম্যান হইতে হবে যে যে লোকের চুল নাই তার কাছে চির চিরুনি বেচা দিয়ে দিতে হবে। এখন খেয়াল করো যে লোকের চুল নাই তার কি আসলে চিরুনি দরকার আছে? নাই। হইতে পারে সে চিরুনি কিনতে পারে অন্য কাউকে গিফট দেওয়ার জন্য। যদি সেই সেন্সেও ঠিক আছে তুমি একটা মার্কেট ক্রিয়েট করো তাও একটা কথা। বাট বলেই কি যে যার চুল নাই তারে তুমি এমন বুঝ বুঝাও যে সাথে চিরুনি কিনে ফেলে। সো এটা কি ইথিক্যাল হইলো? যার যেটা দরকার নাই তারে আমি এই ভুং ভাং বুঝটুস দিয়ে তারে সেটা আমি গোছায়া দিলাম। সো ট্রেডিশনাল ইয়েতে মার্কেটিং এ এই কাজ
কিন্তু মোস্ট অফ দা টাইম বরং এই কাজই করা হয়। কারণ একটা সময় ছিল ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভলেশন ধরো আগে অথবা ঠিক পরপর দিয়ে এবান্ডেন্স এর আগে তখন কি ছিল যে মানুষ প্রোডাকশন যা করছে এত চাহিদা ছিল মানুষ টেনে টেনে প্রোডাক্ট নিছে। বাট ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিভলেশনের ইফিশিয়েন্সি আসার পর মানুষ এত বেশি প্রডিউস করা সক্ষমতা অর্জন করলো। তখন দেখা গেল যে যে জিনিস দরকার নাই মানুষ এটা প্রডিউস করতেছে। তখন কি যে হ্যাঁ প্রচুর বিজ্ঞাপন দিয়ে দিয়ে মানুষরে বুঝাও তোমার এটা দরকার। আর্টিফিশিয়াল নিড ক্রিয়েট করো। সো দট মানুষ এটা কেনে। ট্রেডিশনালি সারা
দুনিয়াতে এই কাজ এখনো এখনো প্রচুর প্রচুর হইতেছে। যে জিনিস আমার দরকার নাই স্টিল বিজ্ঞাপন দেখাইতে দেখাইতে দেখাইতে দেখাইতে আমার কাছে বেঁচে দেওয়া। বাট গ্রোথ হ্যাকিং এর পুরো মডেল এই থিওরিটাতেই কাজ করে না। যে যেটার দরকার নাই তুমি এটা জোর করে পুশ করে বেচে দিবা। গ্রোথ হ্যাকিং এর পুরা জিনিসটাই কাজ করবে যদি এটা এনসিওর হয় যে আমার প্রোডাক্টের ডিমান্ড আছে। সেটা আমি কেমনে এনসিওর করবো সেগুলো আমরা শিখবো। বাট এটা ইম্পর্টেন্ট যে আমার প্রোডাক্টে কি আছে? রিয়েল ডিমান্ড আছে। রিয়েল ইউজারদের এটার চাহিদা আছে। রিয়েল ইউজারদের এটা মানে
রিয়েল কোন প্রবলেমকে সলভ করে। এটা যদি হয় এন্ড দেন তুমি গ্রোথ হ্যাকিং এর যত টেকনিক আছে, ফ্রেমওয়ার্ক আছে এগুলো তুমি তখন ইমপ্লিমেন্ট করবা। বাট নট বিফোর পিএমএফ। পিএমএফ এনসিওর করা বাদে এটা হবে না। স পিএমএফ এর ক্ষেত্রে এখন আমরা আসি যে এই প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট বুঝবো কেমনে? এন্ড এরপরে আমাদের আরেকটা টার্ম আসবে এমভিপি মিনিমাম ভায়েবল প্রোডাক্ট। ওদিকে আমরা যাব। বাট প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট আমি কিভাবে বুঝবো? এই জায়গাটাতে আমরা এখন একটু আগাবো। তো এটার সাথে আমরা আরেকটা জিনিসও শিখবো যে প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট এটা আমার অর্জন
হইলো কিনা এটা আমি কঠিনভাবেও এ এই লেসন পাইতে পারি ধাক্কা ধোক্কা খাইয়া আবার হচ্ছে খুব ইজি প্রসেসও আছে যেখানে আমি টাকাটা পয়সা নষ্ট না করে প্রোডাক্ট বানানোর আগেই বুঝে ফেলবো প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট কিনা এবং প্রোডাক্ট বানানোর আগেই বেঁচে ফেলবো অনেকে সারপ্রাইজ প্রোডাক্ট বানাই নেবে বেচবো কেমনে তো আমরা দেখব যে এসব টেকনিক এখানে আছে একদম সিস্টেমেটিক্যালি আছে। তো প্রোডাক্ট মার্কেট ফিডের ক্ষেত্রে প্রথমত ধরো তুমি যদি এরকম মনে করো যে ভাই আমি অনেক গবেষণা টবেনা করে নিজের মাথায় যা আসছে এই আন্ডারস্ট্যান্ডিং থেকে আমি অলরেডি একটা
প্রোডাক্ট বানায় ফেলছি। এখন আমি এটা চিন্তা করা শুরু করছি আমার প্রোডাক্ট কি গ্রোথ হ্যাকেবল কিনা। এটা কিরকম গ্রোথ হ্যাক স্টাইলে বিশাল বড় করা যাবে কিনা? এই চিন্তাটা তোমার এখন আসছে। তাহলে এই চিন্তা যদি এসে থাকে তাহলে তুমি আগে টেস্ট করো তোমার যেটা তুমি বানাইছো সেটা প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট আছে কিনা। এটার জন্য সিয়ান এলিস উনি একটা বুদ্ধি বের করছে। এই বুদ্ধিটা আমরা রকমারিতেও আজ থেকে প্রায় চার পাঁচ বছর আগে ট্রাই করছিলাম। সেই টেস্টটা আমরা পাশ করছিলাম যে আমাদের প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট। ঠিক আছে। এখানে উনি যেটা থিওরি দিছেন থিওরিটা হচ্ছে এরকম।
যে তুমি তোমার এক্সিস্টিং যারা ক্লায়েন্ট মানে যে প্রোডাক্টটা বানাইছো তার তো কিছু না কিছু তো ক্লায়েন্ট আছে কিছু না কিছু ইউজার আছে তুমি তোমার ইউজারদেরকে জিজ্ঞেস করবা প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে জিজ্ঞেস করবা যেভাবে পারো জননেজনে ডেকে ডেকে জিজ্ঞেস করা তো একচুয়ালি এই ডিজিটাল জামানায় খুব বেশি ইয়ে না মানে কার্যকর পদ্ধতি না হইতে পারে তাদের যদি ইমেইল লিস্ট থাকে তুমি একবারে তাদেরকে ইমেইল পাঠায় দাও যারা যারা রেসপন্স করে বা তোমার যদি তাদের কাছে হোয়াটসঅ্যাপ এর নাম্বার থাকে তুমি তাদেরকে ব্রডকাস্ট আকারে অথবা ইনিশিয়াল যদি ছোট
ইউজার বেস হয় লাগলে জনে জনে তুমি একটা সার্ভে পাঠায় দাও ছোট্ট একটা প্রশ্ন পাঠায় দাও দেন ওখান থেকে রেসপন্স কালেক্ট করো যেভাবে পারো অথবা যদি তোমার ইউজার বেসকে তুমি একটা ক্লোজ গ্রুপ বা এরকম কোন গ্রুপের মধ্যে রাখো সে গ্রুপের মধ্যে তুমি পোল চালাও তাই না এরকম বিভিন্নভাবে তুমি জিনিসটা করতে পারো সেই প্রশ্নে তুমি জিজ্ঞেস করবা যে আমি যে প্রোডাক্টটা বানাইছি বা আপনারা যে প্রোডাক্টটা ইউজ করতেছেন এই প্রোডাক্টটা যদি আমি কিল করে ফেলি যে আমি আমার ব্যবসা যদি কি করি বন্ধ করে ফেলি তাহলে আপনার মধ্যে অনুভূতি কি হবে তিনটাখানে অপশন থাকবে একটা হচ্ছে ভেরি
ডিসএপয়েন্টেড আরেকটা হল সাম হয়াট আমি ডিপয়েন্টেড জাস্ট কমা কমা দিচ্ছি আর নট ডিসপয়েন্টেড আমি ডিসপয়েন্টেড হব না আমার কিছু আসে যায় না তিনটা অপশন বোঝা গেছে বলছে যদি তোমার 40স প্লাস এর চেয়ে বেশি ইউজার এনসার দেয় এইটা যে তারা খুব হতাশ হয়ে যাবে। তাইলে তুমি ধরে নিতে পারো যে তোমার প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট অর্জন হইছে। যে খুব হতাশ কিছুটা হতাশ আরটা হচ্ছে হতাশ না। এই তিনটা অপশনের মধ্যে যদি 40% প্লাস হয়। তো আমরা রকমারিতে যখন এই প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করছিলাম এবং এটা নিয়ে বেশ বাস ক্রিয়েট হইছিল। কারণ আমরা ইমেইল মার্কেটিং দিছিলাম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে.com বা
এই ধরনের ক্যাচি। অনেকে বডি না পড়েই উল্টা মেইলসে কেন আপনারা বন্ধ করবেন? কি হইলো আপনাদের? হ্যাঁ তো অনেকে দেখা গেছে অনেকে হয় না যে হেডলাইন পড়েই মনে করে কিছু একটা তো ওটা দিয়ে আমরা আসলে আকর্ষণ করছি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ইমেইলে করে হচ্ছে দেন ভিতরে লিখছি যে মানে ধরে নেন যদি রকমারি আর না চলে ইত্যাদি ইমোশনাল টোনেও লিখছিলাম আমরা খুব বেশি ইমোশনাল টোনে না নিউট্রালি রাখার চেষ্টা করছি তাহলে আপনার ইয়ে কি হবে তো আমার এক্সাক্টলি এখন মনে নাই বাট আমাদের খুব এটার চেয়ে অনেক বেশি পার্সেন্টেজ আমাদের ইয়ে ছিল ভেরি ডিসপয়েন্টেড বলছিল
তবে আমার কাছে তখন একটা জিনিস মনে হইছে বাঙালি কিন্তু একটু ইমোশনাল জাতি কারণ আমরা এখানে যা পড়তেছি এটা তো আমেরিকান প্লাস ওয়েস্টারন কনটেক্সট ফলে ওদের অটিচিউড কালচার বিহেভিয়ারের সাথে কিন্তু আমাদের একটু ডিফারেন্স আছে তা আমরা দেখবা যে অত স্ট্রেট কার্ড জাতি না ওয়েস্টার আমাদের চেয়ে একটু স্ট্রেট কার্ড বিশ ইউএস এর ওরা মুখের সামনে তোমারে ধর ইয়ে কথা স্ট্রেট কার্ড বলে দিবে আমাদের কালচারটা এমন যে আমরা এটা ঠিক খুব ভালো মনে করি না বা এটা যে আসলে ভালো বলাও যায় না আমাদেরটা আমার কাছে আমাদের কালচারটাই বেশি যে ভাই মানুষকে অযথা হার্ট আমি কেন করব তা আমরা
মানুষকে একটু খুশি করতে চাই কষ্ট একটু কম দিতে চাই ফলে এখন মানুষকে যে খুশি করতে চাই। এই প্রবণতা থেকে দেখা যাচ্ছে যে না ভাই লোকটা জিজ্ঞেস করছে তার আমি প্রোডাক্টটা ইউজ করি। তো লিখে দেই যে ভাই আমি খুব হতাশ হয়ে যাব। ফলে আমার কাছে মনে হয় বাংলাদেশী কনটেক্সটে এটা 40% এটা 50 বা 60% ধরলে বোধয় আরো সেফ হয় যে আরো বেশি মানুষ যেহেতু আমরা একটু বেশি ইমোশনাল। মানুষকে হার্ট করতে চাই না। খুশি করতে চাই। তাহলে ফলে হয়তো অনেক বেশি মানুষ এমনি ইমোশনাল কারণেই ভেরি ডিসপয়েন্টেডসার করে দিতে পারে। এটা একটা টেস্ট। তো এই টেস্ট রান করে আমরা চাইলে দেখতে পারি।
অনেকে নিজেকে খুব বেশি স্মার্ট মনে করে ভাবতে পারে যে আমি আমার কমন সেন্স দেখলা বুঝে গেছি। ভাই এই ভুল করা যাবে না। এই ভুল যদি করি তাহলে দেখা যাবে বছরের পর বছর আমি শ্রম ঘাম সময় নষ্ট করে ধাক্কা ধোক্কা খেয়ে তারপর বিজনেস থেকে বিদায় নিছে। তার চেয়ে আমার যদি এই ডিসিপ্লিন থাকে যে আমি আগে এই জিনিসগুলা একটু করে নিয়ে আগাই তাহলে আমি কিন্তু প্রচুর জিনিস আমি ঠিক করে ফেলতে পারি। কারণ অনেকেরই যে সাংকেন কস্ট ইফেক্ট বলে কিছু একটা বানায় ফেলছে এমন ভালোবাসা যে ভাই এইটাই বেচতে হবে গ্রোথ হ্যাকিং এর কথা হচ্ছে না রেদার তুমি
তোমার প্রোডাক্টকে টুইক করতে থাকো চেঞ্জ করতে থাকো করতে করতে এমন জায়গায় আনো যেইটার ইউজাররা রিয়েলি লাভ করবে দেন তুমি এটাকে এক্সপ্যান্ড করো তোমার আইডিয়াতে ফিক্স থাকা এটা এমন ভালো আইডিয়া না বাট এমন হইতে পারে যে ঠিক আছে তোমার একটা সেক্টর নিয়ে খুব ভালোবাসা আছে ফর এক্সাম্পল তুমি এডুকেশন নিয়ে কাজ করতে চাও তার মানে এইটা না যে লোকজন পছন্দ করে কালকে আমি তাহলে কৃষিতে চলে গেলাম পরশু আমি কসমেটিক্সে চলে গেলাম এটা না তুমি যদি মনে করো না এডুকেশন আমার ভালোবাসার জায়গা এটাতে আমি ট্রুলি এক্সাইটেড তাহলে আমি এডুকেশনের প্রবলেম তো
আর একটা না হাজারটা তাহলে আমি এই প্রবলেমটা সলভ করতে চাইছি দেখা গেল যে না পাবলিক মনে করতেছে যে এটা খুব ভালো আমি কিছু করতে পারছি বা এটা তাদের খুব একটা লাভ হচ্ছে না তারা খুব একটা হতাশ হবে না আমি যদি বন্ধ করে ফেলি তাহলে তুমি ওখান থেকে প্রিফর্ট করো টুইট করো তুমি একই সেক্টরের মধ্যে তুমি চাইলে আরেকটু স্লাইটলি ডিফারেন্ট আইডিয়া ট্রাই করো বা আইডিয়ার কোন একটা ব্রাঞ্চ ট্রাই করো এই ধরনের প্রচুর কেস স্টাডি আছে এই বইতে প্রচুর এক্সাম্পল পাবা সিলিসের বইতে প্রচুর এক্সাম্পল পাবা এই ধরনের বাস্তব ঘটনাগুলো যে পিভট করে ফেলা মানুষজন যতক্ষণ
পছন্দ না করে ততক্ষণ চেঞ্জ করে ফেলা যেমন ধরপের ক্ষেত্রে একটা সাইট আছে বিভিন্ন রিভিউ দেয় ওদের কষেত্রে ওদের অনেক ফিচার ছিল অনেক ফিচার ছিল তারপরে ওরা দেখল যে মানুষ সবচেয়ে বেশি ইউজ করতেছে রিভিউ এবং রিভিউটা ওদের ফ্রন্টেও ছিল না একদম ভিতরে চিপার ভিতরে ছিল কিন্তু ওরা ওদের এনালিটিক্সে দেখল যে প্রচুর লোক এই রিভিউ জিনিসটা ইউজ করতেছে পরে ওরা এটাকে ফ্রন্টে নিয়ে আসলো। তখন দেখল যে এটা আরো বেশি পপুলার হয়ে গেছে। তখন দেখা গেছে পুরা ওর ইয়ের মেকানিজমইও চেঞ্জ করে ইয়েতে চলে আসলো। রেটিং রিভিউতে চলে আসলো। অরিজিনাল
আইডিয়া কিন্তু এটা ছিল না। সেইম এক্সাম্পল আরো অনেকগুলা আছে। আরো অনেকগুলা আছে যে এরকম ওদেরও হচ্ছে অনেকগুলা ফিচার ছিল। এবং যে ফিচারটাকে ওরা তেমন কোন ইম্পর্টেন্ট ফিচারও মনে করে নাই। বাট এনালিটিক্সে দেখলেও যে মানুষজন গিয়ে ওই ফিচারটাতে অনেক বেশি এঙ্গেজড হচ্ছে। পরে ওরা ইভেন কোম্পানির নামও চেঞ্জ করে এবং ওই ফিচারটাকে কেন্দ্র করে দেন নতুন বিজনেসটা স্টার্ট করে। ফলে এখানে মেইন কথাটা হইতেছে যে আমি পাবলিকরে যা ইচ্ছা তাই খাওয়াবো না। আমি এখানে ইগো দেখাবো না যে ভাই আমি যে বানাইছি এটাই তোমার নিতে হবে। বিকজ আমি তো
তাকে সার্ভ করতে চাই। তার যেটা দরকার নাই আমি তার জোর করবো কেন? রেদার আমি চেষ্টা করব আমার প্রোডাক্টের ভিতরে চেঞ্জ এনে এনে এনে এনে এমন পর্যায়ে যেতে যাতে যে জিনিসটা ট্রুলি আমার ইউজাররা কি করে? পছন্দ করে বা তার যেন দরকার থাকে। তো দিস এ টেস্ট যেটার মাধ্যমে আমরা দেখতে পারি আমার প্রোডাক্টের ইয়া আছে কিনা প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট আছে কিনা তো প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট কিভাবে অর্জন করা যায় তো এখানে সিনালিস তার পার্সোনাল স্টোরি বলছে এটা ইন্টারেস্টিং পড়লে মজা লাগবে তোমাদের না সরি হ্যাপি আলাদিন এইযে এই বইয পিডিএফ সে এইযে তিন চার বছর তার টাকা নষ্ট করছে
স্টার্টপ বানাইছে মানে সে খুব মিউজিক লাভার সে মিউজিক রিলেটেড কোন একটা কিছু করতে চাইতেছিল সে বলছে যে ভাই তিনটা চারটা বছর যে পরিমাণ টাকার এনার্জি আমি নষ্ট করছি জাস্ট আমি এগুলো সব এভয়েড করতে পারতাম যদি আমি আসলে সিস্টেমেটিক্যালি কাজ করতাম। তো একটু আগে বলতেছিলাম যে প্রোডাক্ট মার্কেট ফিড আমি কিভাবে অর্জন করব তার মধ্যে একটা হচ্ছে বললাম কঠিন রাস্তা সেটা কি যে ধাক্কা ধুক্কা খাইয়া তারপরে টাকা হারাইয়া সময় নষ্ট কইরা তারপরে বুঝতে পারো হায় হায় ভাই এটা তো আমি ঠিক করি নাই। এখন যদি তোমার এনরমাসঅমাউন্ট অফ মানি তোমার থাকে তোমার পিছনে এমন ইনভেস্টর
থাকে যে ভাই ভুল করো দুই বছর চার বছর তুমি লাখ লাখ টাকা কোটি কোটি টাকা নষ্ট করছিলে আমি তোমারে টাকা দিয়েই থাকবো যদি এমন হয় তাহলে তো সমস্যা নাই ধাকা ধোকা খাও টাকা যেহেতু অপারিত আছে বাট এটা তো প্রাক্টিক্যালি কয়জনের জন্য সত্য অলমোস্ট কারো জন্যই সত্য না বাপের টাকাও যদি থাকে দুই তিন বছর যদি এরকম টাকা নষ্ট করো টাকা থাকলে কি তোমারে দিবে দিবে না ফলে হার্ডওয়ে এটা তো একচুয়ালি দুর্ভাগ্য জনক একটা বিষয় তাহলে ইজিয়ার ওয়ে কোনটা ইজিয়ার ওয়ে হল প্রোডাক্ট মার্কেট ফিটের ক্ষেত্রে প্রোডাক্ট বানানোর আগে বেঁচে দেওয়া।
বানানোর আগে যদি বেচতে পারো তাইলে তুমি সুপার কনফিডেন্ট হয়ে যাবা যে আমার প্রোডাক্ট মার্কেট ফিট। এবং সাথে তুমি লাগলে পরে আবার সার্ভেও করে দেখবা যে আসলেই ফিট আছে কিনা। এখন এই জায়গাটায় সবারই যেটা মনে হবে যে ভাই এটা আপনি কি বললেন যে বানানোর আগে বেছে দিবো। এটা কি কোনদিন সম্ভব কিনা? তো আমার পার্সোনাল জায়গা থেকেও আমি স্টোরি বলতে পারি। বানানোর আগে বেচার আমার এক্সাম্পল আছে ভালো এক্সাম্পল আছে আর এই দুনিয়া ভর্তি তো হাজার হাজার এক্সাম্পল আছে বিশেষ করে তোমরা যদি ক্রাউড ফান্ডিং এর ইয়েগুলাতে যাও কি নাম প্লটফর্ম ক্রাউড
ফান্ডিং যেমন কি স্টার্টার আছে তারপর যে ইন্ডিগো আছে আরো অনেকগুলা তুমি কি স্টার্টার সরি কি বলে ক্রাউড ফান্ডিং প্লটফর্ম লিখে সার্চ করলে তো লট অফ প্লটফর্ম আর দেয়ার যারা ইভেন একদমই বিজনেসে নতুন তারা অনেকে হয়তো এই টার্মগুলো যদি পরিচিত না থাকো তোমরা জাস্ট টার্মগুলো একটু Google করো তাইলে তো হয়ে গেল ক্রাউড ফান্ডিং মানে যেটা পাবলিক তোমারে ডাকা দিবে এবং কি স্টার্ট টাইপের সাইট যেগুলো আছে সেগুলোতে কি হয়? বানানোর আগেই বিক্রি হয়ে যায়। ওখান থেকে ফান্ড উঠায় ফেলে তারা। তো আমরা সেই কৌশলগুলোতে যাব। বাট এখানে স্পেসিফিকালি স্টেপ বাই
স্টেপ পদ্ধতি আছে যে বানানোর আগে তুমি কিভাবে বেচতে পারো? এ কি আদৌ সম্ভব কিনা। তো আমার পার্সোনাল স্টোরি একটা বলি। যেটা রকমারির তৈরির ইতিহাসের সাথে যুক্ত। এবং ওইখানেও আমাদের এই যে যা এতক্ষণ আলোচনা করছি এর সাথে রিলেট করার মত একাধিক লেসন আছে। তো আমরা রকমারি যখন ফাউন্ড করি রকমারি নামে না। কিন্তু এই কোম্পানিটার নাম হলো অন্যরকম ওয়েব সার্ভিসেস লিমিটেড। এখানে আমি লিটন আমরা যে দুইজন পার্টনার সেই শুরু থেকে আছি আমরা দুইজন ছিলাম। আর আমাদের বুয়েটের জুনিয়র তিনজন ছোট ভাই জিরো টু ব্যাচ। আমাদের হচ্ছে দুইবার জুনিয়র কম্পিউটার সাইন্সের। ওরা আসছে
আমাদের কাছে। ওদের একটা আইডিয়া নিয়ে যে ভাই এই আইডিয়া নিয়ে আমরা একসাথে কাজ করতে পারি কিনা। তো তখন ওরা যে আইডিয়াটা নিয়ে মূলত আসছিল ক্যারিয়ার ক্লাব নাম দিয়ে ওই প্রজেক্টের নাম ছিল ক্যারিয়ার ক্লাব। তোমরা বুঝবা এভাবে যে linkedন যে জিনিসটা এই linkedন না শুধু এর চেয়েও আরো এক্সটেন্ডেড ফিচার আমরা চিন্তা করে এরকম একটা জিনিস বানাইতে চাইছি। তখন বুঝি নাই যে এটা কত বড় জিনিস। মানে সোশ্যাল মিডিয়া ফর কি নাম বলে প্রফেশনাল পিপল এরকম যেটা দিয়ে জব হান্টিং থেকে শুরু করে লট অফ থিংস এবং মানে এখনো linkedনে যা আছে এর চেয়ে আরো
বেশি বেশি আইডিয়া আমরা চিন্তা করছি এটা আমরা বানাবো তো আমরা এই পাঁচজন মিলে কোম্পানিটা বানাইলাম বানানোর পর আমাদের মোস্ট প্রবাবলি প্রায় দুই বছর শুরুতে মনে করছি এটা তো এমন বিষয় না বানাচ্ছি বানাচ্ছি একটার সাথে লেজ আরেকটা আরেকটার সাথে লেজ আরেকটা এটা না হলে তো এটা সুন্দর হবে না এটা না হলে এটা সুন্দর হবে না দেড় দুই বছর খালি বানাইতেছি বানাইতেছি বানাইতেছি বানানো আর শেষ হয় না তুমি চিন্তা করো দেড় দুই বছরে তো তোমার একটা দুইটা শ্রম টাকা যাচ্ছে না। তারপরে গিয়ে ধরো যেটা ফ্রাস্ট্রেশন আসা সেটাই আসলো যে আমরা সবাই ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে
গেলাম যে ভাই এইটা আমাদের এটা ইয়ের মধ্যে না। এটা আমাদের সক্ষমতার মধ্যে না। কারণ এটা আলোর মুখ কবে কেমনে দেখবে আমাদের আর কোন আমরা ইয়ে দেখতে আশা দেখতে পাইতেছি না। তখন আমরা মোটামুটি হতাশ। এইযে এইটুকু যে তুমি শুনলা। এইযে জিনিসটা খেয়াল কর এই জিনিসটা কিন্তু কি নতুন স্টাইলে হইছে না আগের স্টাইলে হইছে? আগের স্টাইলে যে আমরা একটা ারাত্মক জিনিস বানাবো বিশাল একটা কিছু তারপর ধামাকা একটা লঞ্চিং দিব আর মানে কি রাতের মধ্যে কোটি কোটি ইউজার আমাদের অপে আইসে একেবারে আমাদেরকে বিলিয়নিয়ার বানায় দিবে আমাদের স্টাইল ছিল ওইটা যে দেড় দুই বছর আমি একটা জিনিস
বানাচ্ছি আদৌ জনগণের দরকার কিনা আমি আসলেই পারবো কিনা কতটুকু এটা কি হবে না হবে তখন আমরা মোটামুটি হতাশ এর মধ্যে বাংলাদেশে ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ হয়েছিল 2011 তে মোস্ট প্রবাবলি সাল এদিক সেদিক হইতে পারে তখন তখন বাংলাদেশে একটা বিখ্যাত পত্রিকা। তো সেই পত্রিকার একজন ভাই ছিল আমার পরিচিত। আমার সাথে খুব ক্লোজ রিলেশন ছিল। তো উনি আমাকে ফোন দিয়ে বলল যে সোহাগ আমরা তো এই যে বিশ্বকাপ উপলক্ষে কিছু একটা ইনোভেটিভ কিছু করতে চাই। তুই একটা আইডিয়া দে। তো ওই সময় যেটা হইতো আমি হচ্ছে ফেসবুকে গেম খেলতাম। বিশেষ করে তখন একটা
গেম আমি খুব খেল খেলছি মাফিয়া নামে একটা গেম ছিল। ফেসবু এর গেমটি এখন পোলাপান অত খেলে কিনা আমি জানিনা। বাট তখন হচ্ছে ফার্ম বিলি টানবিলি তোমরা হয়তো নামটা শুনে থাকতে পারো। তখন মাফিয়া নামে একটা গেম ছিল। আমি এই গেমটা অনেক খেলছি। মানে অনেক আওয়ার্ডস। তো আমি যখন খেলছি আর সাথে আমি বোঝার চেষ্টা করছি যে এই গেম আমি কেন খেলি। কে আমাকে এটা আটকায় রাখে। কেন আমি এটা সহজে ছাড়তে পারি না। উঠতে পারি না। তো আমি এলিমেন্টগুলা বোঝার চেষ্টা করছি যে ওরা কি কি কৌশলে আমাকে আটকায় রাখে। তো এটা আমার মাথার মধ্যে আছে ওই মুহূর্তে ফ্রেশ।
মানে ওই সময় আমি এই গেমটা খেলি। আর এইদিকে আমারে জিজ্ঞেস করল যে ওয়ার্ল্ড কাপ উপলক্ষে একটা আইডিয়া দে যে কিছু একটা ইনোভেটিভ। তো আমাদের এর আগে আরেকটা প্রজেক্ট ছিল ফেল মানে আমার জীবনে তো আসলে ফেল প্রজেক্ট সংখ্যা কম না অনেক তার মধ্যেকার আরেকটা ফেল প্রজেক্ট ওই কোম্পানির নাম ছিল ওয়ান টাচ ওটা একটা কোম্পানি ছিল কোম্পানি আর ফ্লাই করে নাই ওই কোম্পানি যেটা আমরা করতে চাইছিলাম ওটা একটু বলি না বললে পরেরটা বোঝা যাবে না ওখানে আমরা চাইছিলাম যে তোমরা দেখবা এই দোকানদাররা যারা যে ফ্লেক্সি লোডট করে কয়েকটা মোবাইল একটা দিয়া গ্রামীণফোনের
জন্য করে আরেকটা দিয়া ইয়ের জন্য করে এই কোম্পানি মানে কয়েকটা কোম্পানির জন্য কয়েকটা ফোন রাখতে হয় নাযে লোড করার জন্য রিচার্জ করার জন্য। তো এটা তো একটু ভেজাল। তখন আমরা চাইছিলাম যে এই দোকানদারদের এই ভেজাল যাতে করতে না হয়। তাদের কাছে একটা মোবাইল থাকবে যেকোন অপারেটরের। আর আমাদের কাছে একটা সিস্টেম থাকবে। আমরা এযে মডেম পুল বলে ওর ভিতরে অনেক যে মডেম স্লট থাকে যার ভিতরে একেকটার ভিতরে একেক সিম ঢুকানো থাকবে। তাহলে ওই দোকানদার আমাদের কাছে যখন রিকোয়েস্ট পাঠাবে অনলাইনে রিকোয়েস্ট চলে আসবে যে অমুক নাম্বারে এত টাকা লোড করতে
হবে। তাইলে ওটা যে অপারেটর হোক যেহেতু আমার কাছে সব সিম আছে। তখন আমি ওটাকে লোড করে দিব। ফলে ওই ইউজারের মোবাইলে লোড হয়ে যাবে। আর এইটা করে দেওয়ার কারণে আমি একটা ওরা যে পারসেন্টেজ পায় তার একটা অংশ আবার আমরা পাব। তো এটা মোটামুটি আমরা সাকসেসফুলি প্রজেক্ট কমপ্লিট করছি। কিছু কিছু ক্লায়েন্ট আমরা পাইছি। যাক পরে গিয়ে আর এটা ফ্লাই করে না।যে বললাম রান্না মজা না হওয়ার তো হাজারটা কারণ আছে। তো আমাদের এই কোম্পানি ফেল করছে। এটা হচ্ছে যে যে ভাই আমারে বলল যে কিছু এটা বানাইতে হবে। তার আগের ঘটনা। তো ফেইল করে আমরা বিষন্ন মনে সেই মডার্ন পুল অফিসের
মধ্যে মাঝে মাঝে তাকায় তাকায় দেখি আহারে মডেন পুল এটাতে ব্যবসা আর হইলো না বাট টেকনোলজি অলরেডি বিলড যে আমরা যেকোন মোবাইলে কি পাঠাইতে পারি ইনস্ট্যান্টলি ইয়ে পাঠাইতে পারি টাকা পাঠাইতে পারি এটা আমাদের বানানো তো আমি একে মাফিয়া খেলতেছি তৃতীয়ত এই মডেম পুললা আমার টেকনোলজি রেডি আর থার্ডলি হচ্ছে যে ক্রিকেট উপলক্ষে কিছু একটা আইডিয়া বানাইতে হবে তো আমি একটা আইডিয়া তখন বললাম যে ভাই এই এবং তার আগে আবার ফুটবল বিশ্বকাপে একটা অক্টোপাস ওই ইয়ে করত ভবিষ্যৎবাণী নাম ছিল পল হ্যাঁ তো আমার মাথায় আসলো আমরা ক্রিক পল বানাবো প্রোডাক্টের নাম দিলাম ক্রিক পল মানে
ক্রিকেটের পল ক্রিকেটের পল মানে যে ক্রিকেট সম্পর্কে ভবিষ্যৎবাণী করবে পাবলিক আর যদি ভবিষ্যৎবাণী মিলে তাহলে আমরা তারে টাকা দিব তো এটা ঠিক লটারি না যে সে টাকা দিবে বিনিময়ে টাকা পাবে এটা এওয়ার্ডের মত মানে বাই দা ওয়ে তখন তো আর ইসলাম ইসলাম মানি না বাট হচ্ছে যে এখনো যদি দেখি যে ওটাও হারাম ছিল না হালালই ছিল তো জিনিসটা ছিল এরকম যে একটা ম্যাচ কালকে হবে আজকে আমরা কিছু কোশ্চেন আমাদের ইউজারদেরকে দিয়ে দিব দিলে তারা প্রেডিক্ট করবে কালকে কে জিততে পারে কত উইকেটে জিততে পারে কতম ওভারে প্রথম উইকেট যাবে এরকম বহুত প্রশ্ন
থাকে ওগুলা মেগা ওগুলার প্রাইস হচ্ছে বেশি আর ইনস্ট্যান্টলি খেলা চলতেছে এই সময় আমাদের ওই যে ক্রিক এসে মানে ওয়েবসাইটে এসে ধর এখন আমি জিজ্ঞেস করলাম যে নেক্সট ওভারে কত রান হবে মানে যেগুলো হচ্ছে গরম গরম প্রশ্ন ওগুলা যদি ম্যাচ করে তাহলে ধর 10 টাকা কারো মোবাইলে ইনস্ট্যান্ট টাকার লোড হচ্ছে 20 টাকা 50 টাকা কারণ মানুষ ইনস্ট্যান্ট যদি একটা মোবাইলে পায় এটা কিন্তু মারাত্মক একটা উত্তেজনা তৈরি হয়। তো আমাদের এই প্রোডাক্টটা ওয়াজ সুপার সাকসেসফুল এবং এটা প্রায় ওই সময় 95 লাখ পেজবি হয়েছিল মাত্র 39 দিনে। মানে সময়
এটা একটা ব্যাপক হিট ছিল। তো এই প্রোডাক্টটার ক্ষেত্রে ইন্টারেস্টিং জিনিস যেটা যে আমরা যে পয়েন্টে ছিলাম কি বানানোর আগে বেচা আমরা যখন এই আইডিয়াটা ওই পত্রিকার যিনি সম্পাদক উনাকে পিচ করলাম এবং উনি দেন শুনে খুব খুশি হলো। তখন আমাদের কাছে কি আছে? আমাদের কাছে আছে হচ্ছে একটা জাস্ট জেপিজি ফাইল। জেপিজি ফাইল মানে আমার ওয়েবসাইটের হোমপেজ কি হবে সেটার একটা চেহারা জাস্ট বানাইছি। আর ব্যাকগ্রাউন্ডে আমার মডেম বানানো আছে টেকনোলজি। বাট এখন কিন্তু সফটওয়ার সফটওয়ার ওয়েবসাইটের ইন্টিগ্রেশন কিচ্ছু না। খালি জেপিজি ফাইল নিয়ে যেয়ে
সম্পাদকর দেখাইলাম। উনি বলল যে ওয়েল এটা তো শুনে আমার কাছে ভালো লাগতেছে উনি পরে বাংলাদেশের তখন বিগেস্ট অপারেটর মানে মোবাইল অপারেটর তাদেরকে ইনভাইট করল এবং দে গট ভেরি ক্রেজি যে এটা ভাই ভালো চলবে উনি বুঝতে পারছে এবং উনারা আমরা বলছি এক কোটি টাকার বাজেট দিবেন এক কোটি টাকার মধ্যে মেজরিটি টাকা আমরা ইউজারদেরকে দিব কারণ টাকা বেশি হলে কি হবে যত ইউজার টাকা পাবে তত এক্সাইটমেন্ট তৈরি হবে কোন একটা লিগাল কারণে ওই ইয়েটা ওটেলকো কোম্পানিটা এটাতে স্পন্সর করতে পারে নাই একটা ইস্যু ছিল ওনাদের একটা ইন্টার্নাল ইস্যু ছিল
পরবর্তীতে তখন কিউবি বাংলাদেশে নতুন আসছে কিউবি একটা কোম্পানি এইযে এখন তোমরা হয়তো নাম জানো না ওরাযে মডেন সেল করত আর কি কিউবি আমরা কিউভিকে এপ্রোচ করি এবং ওরা হচ্ছে প্রায় আমাদের কত 40 লাখ টাকা স্পন্সর করে 40 লাখ টাকা যখন তারা স্পন্সর করে তখন আর সময়ও বেশি নাই বাট তখনও কিন্তু আমরা কিছুই বানাই নাই জাস্ট আমার ওই জেপিজি ফাইল আইডিয়া বাট আমরা এমনভাবে পুরা জিনিসটা প্রেজেন্ট করছি যে দে কুড হ্যাভ কনফিডেন্স অন আস তারা ট্রাস্ট করছে যে না এই পোলাপান পারবে আর পরবর্তীতে আমরা টেলিটক যে কোম্পানি ওদেরকে আমরা এপ্রোচ করলাম। ওরা আরো 5 লাখ টাকা দিল। সব মিলে
প্রায় 45 লাখ টাকা বাজেট নিয়ে আমরা কাজটা করি। এই প্রজেক্টটা খুব ওয়াজ সুপার সাকসেসফুল। এখান থেকে কিছু ইনকামও আমাদের হইছে। যদিও মেজরিটি টাকা আমরা এওয়ার্ড হিসেবে দিয়ে দিছি। এই প্রজেক্টটা না হলে হয়তো রকমারি হতো না। কারণ এরপরে যখন আমরা আবার ইয়ে ফিরে পাইলাম একটা কনফিডেন্স ফিরে পেলাম যে না আমরা একটা কিছু তো করতে পারছি সাকসেসফুলি। তখন হচ্ছে আমরা গিয়ে আগের আইডিয়া বাদ দিলাম। আর এটা তো একটা সাময়িক আইডিয়া বিশ্বকাপ চলাকালীন। আর পরে আমরা রকমারি আইডিয়াটা লঞ্চ করলাম। এইটার পর পরই আমরা চিন্তা করলাম যে নতুন কি করা যায়
তখন আমরা রকমারি শুরু করলাম তো লম্বা করে গল্পটা বললাম যাতে স্মৃতিতে থাকে বাট এখানে কিন্তু আমি সেই পয়েন্টটা নিয়ে আসছি এবং এটা কিন্তু ছোটখাট বিক্রি না 40 লাখ 45 লাখ টাকার বিক্রি হ্যা জাস্ট আমার হোম পেজের ডিজাইন দিয়ে এবং এই 40 দিনের মধ্যে হোমপেজ যা আমরা ডিজাইন করছিলাম যতটুকু ফিচার চিন্তা করছিলাম 40 দিনের মধ্যে আমরা আরো অনেক বেশি ফিচার ওর মধ্যে ইমপ্লিমেন্ট করতে পারছিলাম আলহামদুলিল্লাহর ওয়াজ গুড সো এই যে জিনিসটা আমি যেভাবে করছি এটার ক্ষেত্রে তো সহজ হচ্ছে মাত্র একটা সিঙ্গেল কোম্পানিকে আমার কনভিন্স করলেই হয়ে গেছে যারা এই
টাকাটা স্পন্সর করছে তাদের ব্র্যান্ডিং এর জন্য বাট লট অফ প্রোডাক্টস আর দেয়ার যেটা মোস্টলি এই টাইপের না যেটা আমার প্রচুর কাস্টমারকে প্রোডাক্টটা কি কনভিন্স করতে হবে বেচার জন্য সেইটা আমি কিভাবে করব প্রোডাক্ট বানানোর আগে কিভাবে বেচবো তো সেইটার একটা সিস্টেমেটিক স্টেপস এখানে আছে যেটা আমি স্টেপগুলা তোমাদের সাথে শেয়ার করব বাট এর আগে এই কনফিডেন্সটা দেওয়ার জন্য কিন্তু একটু আগে তোমাদেরকে বলছি যে ক্রাউড ফান্ডিং যেটাকে বলে ক্রাউড ফান্ডিং এই টার্মটা দিয়ে যদি আমরা সার্চ করি তাহলে এটার হাজার হাজার এক্সাম্পল আমরা দেখতে পাবো যে মানুষ বানানোর আগে
কিভাবে বেচে ক্রাউড ফান্ডিং এর যত প্লটফর্ম আছে প্লটফর্ম প্লটফর্মের মধ্যে কি স্টার্টার মোস্ট সবচেয়ে বধ পপুলার তারপর আরো অনেক আছে তোমার চ্যাটজিবিটিতে গিয়ে বা গুট সার্চ করলে ফাইন্ডল অফ প্টফর্মটা হচ্ছে রিয়াল এক্সামপল কিভাবে এভিডে মানুষ প্রোডাক্ট বানানোর আগে বেঁচে। আর এখানে যে পদ্ধতিটা বলা আছে এটা আরেকটু লিন। মেবি এটার হচ্ছে ইউন সহজ। সহজ বা কমফারেবল মানে এটা তো মানুষ টু মানুষ ভ্যারি করে। কারো জন্য এটা সহজ, কারো জন্য এটা সহজ। তো এইখানে যে আইডিয়াটা বলা আছে, আইডিয়াটা হইলো, যে তুমি প্রথমে তোমার একটা ইমেইলের
সাবস্ক্রাইবার গ্রুপ তৈরি করবা। এখন ইমেইলের সাবস্ক্রাইবার গ্রুপ মানে কি এবং কেন ইমেইল? এইটা নিয়ে এখানে লম্বা আলোচনা করা হয়েছে। কারণ ইমেইল ব্যাপারটার যে ফাটাফাটি দিক এইটা আমরা মেজরিটি বুঝি না। কারণ আমাদের বাংলাদেশে ইমেইল ইউজার অনেক কম। যেখানে আমরা দূর ইমেইল টিমেইল দিয়ে কিছু হবে না। আমাদের একসময় ধারণা ছিল। এবং এই বইতে একটা গ্রাফ দেখানো আছে। যে গ্রাফটা আমরা স্ক্রিনে দেখাবো। এই গ্রাফে দেখানো আছে ইমেইল মানে বাদবাকি যে মার্কেটিং যত চ্যানেল আছে লাইক ফেসবুক এড দিতে পারো তুমি বিভিন্ন রকম ভাবেই তো আমি
বিজ্ঞাপন করতে পারি এর মধ্যে আরও আই যেটা বলে রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট মানে কয় টাকা খরচ করে কয় টাকা রিটার্ন আসে তার মধ্যে ওরা এক নাম্বার দেখাইছেবার যদিও পুরনো স্টাডি 2012র স্টাডি এক নাম্বার দেখাইছে ইমেইল ইমেইলের ওরা দেখাইছে আরওই হচ্ছে 67% মানে এই এই 2012র এই স্টাডিটাতে অনলাইন মার্কেটিং দেখাইছে 38% ডিরেক্ট মেইল দেখাইছে 27 37% টেলি মার্কেটিং 19% এরকম বিভিন্ন পারসেন্টেজ মানে ইমেইল ক্লিয়ারলি ক্লিয়ারলি এহেড সো এইটা যখন আমি পড়ি তখন আমরা তখনও আমরা রকমারিতে ইমেইল মার্কেটিং আমরা করি হ্যাঁ তখন আমরা এর কনফিডেন্স আরো বেশি পাইছি তো
একটা সময় রকমারি ইমেইল মার্কেটিং বেশ আমাদের পপুলার ছিল পরের দিকে আমাদের কিছু ভাটা পড়ছে আবার একটু রিভাইভ করতে হবে তো ইমেইলের ক্ষেত্রে আমরা রকমারিতে আমরা সিমিলার রেজাল্ট পাইছি একটা হইতে পারে যে ধর ফেসবুক দিয়ে তুমি দুই কোটি লোকরে টার্গেট করতে পারবা কিন্তু ইমেইল দিয়ে তুমি দুই কোটি লোক টার্গেট করতে পারবা না এটার ইয়ে কম কিন্তু আরওই মানে কি যে আমি খরচ অনুপাতে যদি চিন্তা করি রিটার্ন সবচেয়ে বেশি কোথায় সেটা ইমেলতো আজকে ভিডিও বানানোর আগে আমি ভাবলাম ভাই দুনিয়াতে অনেক বদলায় টলায় গেছে যে কারণে এইটা এখনো সত্যি কিনা এটা একটু দেখি
পরে আমি আজকে জিপিটিকে জিজ্ঞেস করলাম হুইচ মার্কেটিং চ্যানেল হ্যাজ গট দা মোস্ট মানে আরওই সবচেয়ে আর বেশি কোনটা স্টিল আমাকে একই রেজাল্ট দিছে ইমেইল এবং আমি পরে প্রশ্ন করছি যে ইমেইলের সাথে বাদবাকি যে চ্যানেলগুলো আছে মার্কেটিং চ্যানেলগুলো আছে সেটার যদি কম্পেয়ার করা হয় কম্পেয়ার করলে এই আরও আই কোনটার কেমন তো এখানে চ্যাট জিপিডি কিছু সোর্স সহ দিছে বাট তোমরা চাইলে একটু ভেরিফাই করতে পারো আর এগুলো কিন্তু সব বাংলাদেশে এক্সাক্টলি সেম হবে তা না ধারণা পাবা তুমি কারণ বাংলাদেশের কন্টেক্সটে অনেক কিছু একটু অন্যরকম হবে ওরা বলছে ইমেইল মার্কেটিং এক
ডলার খরচ করে 36 থেকে 44 ডলার পর্যন্ত রিটার্ন আসতে 36 থেকে 44 মানে এভারেজ প্রাইস কত? 40 ডলারওফ হিউজ যেখানে অন্য আরো দুই একটা বলি যেমন পেপার গুগ এডভারটাইজিং এ বলছে এক ডলার খরচ করে দুই থেকে আট ডলার আসতে পারে দুই থেকে আট ডলার এভি ডলারে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এ বলছে পাঁচ থেকে 10 ডলার প্রতি এক ডলারে পা থেকে 10 এভারেজ করলে সাড়ে সাত ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং এ বলছে থেকে 10 প্রতি এক ডলার খরচ করলে কন্টেন্ট মার্কেটিং এফিলিয়েটে বলছে চার থেকে সাত মানে কোনটাই ইমেইলের ধারে কাছে না কোনটা ইমেলের ধারে কাছে না এখন তবে
ইমেইল বলতে আসলে কেন ইমেইল এক্সাক্টলি মিন করতেছে বা ইমেইল বলতে বুঝাইতেছি কি খেয়াল করো ইমেইল বলা মানে হইতেছে একটা পার্সোনালাইজড কন্ট্রোল ফেসবুকে তুমি বিজ্ঞাপন দেখাইলা তোমারে কিছু ক্রাউড এনে দিল কিছু সেলস হলো বাট ওই এক্স্যাক্ট যে ইউজার তার উপর কি তোমার কন্ট্রোল আছে নেক্সটটা তুমি চাইলে ঠিক ওই লোকটাকেই দেখাবো এই লোকটারে আমি অতটা সময় এই মেসেজটা ডেলিভার করতে চাই এটা কি তুমি ইয়ে দিয়ে পারবা পিনপয়েন্ট করে পারবা না বাট ইমেইল যদি আমার হাতে এখন যদি সাবস্ক্রাইবার লিস্টে যদি 200 লোকের ইমেইল এড্রেস থাকে তাহলে আমি পাঠাইছি মানে 200
লোকের কাছে যাবেই যাবে এখানে কোন মনোপলি নাই এবং যদি তুমি স্মল স্কেলে করো এর জন্য কি কোন খরচ আছে সেই সেই হিসেবে তো আরওই কাইন্ড অফ ইনফিনিটি তোমার কিছু সময় যাবে বাট আর ইনফিনিটি বাট যদি তুমি লার্জ স্কেলে করো তখন যে প্লটফর্ম ইউজ করা হয় ওদেরকে কিছু চার্জ দিতে হয় বাট স্টিল চার্জ কমবা সেইমভাবে তুমি যদি ইমেইল ইউজ না করলে আজকের দিনের অল্টারনেটিভ কি হইতে পারে? এটা অনেক রকম হইতে পারে। যেমন হচ্ছে এখানে ইমেইলের মেইন এডভান্টেজটা কি বলতেছি যে আমি ব্যক্তি ধরে ধরে পার্সোনালাইজড ওয়েতে তাকে কমিউনিকেট করতে পারতেছি। কাইন্ড অফ ডিরেক্ট। তো এটার অলরেটি হইতে
পারে। যেমন ধরো তোমার হ্যা হ্যা কিভাবে হইতে পারে? যেমন ধরো তোমার যে টার্গেট অডিয়েন্স তাদের হোয়াট নাম্বার যদি কালেক্ট করতে পারো। সো তুমি যদি তাদের WhatsApp এর মাধ্যমে যোগাযোগ করো। এখন হোয়াট এর মাধ্যমে তোমার জনে জনে কয়জনের সাথে যোগাযোগ করবা? যদি আর্লি স্টেজ হয় 100, 200 ঠিক আছে তোমার এই পরিমাণ এনার্জি থাকতে পারে 200 জনরে একজন একজন করে পাঠাইলা। এটা যেমন হইতে পারে। আরেকটা ফিচার আছে কিন্তু হোয়াটসঅপের যেটা অনেকে ইউজ করো না বা জানো না। ব্রডকাস্ট লিস্ট ব্রডকাস্ট কিন্তু হচ্ছে আইফোনে খুব ইজিলি খুঁজে পাওয়া যায়। এন্ড্রয়েডে একটু খুঁজে
খুঁজে বাইর করতে হয়। ব্রডকাস্ট লিস্টে যেটা করা যায়। ব্রডকাস্ট লিস্ট। এটা হইতেছে বোধয় মোস্ট প্রবাবলি এখন 256 জন পর্যন্ত একেক লিস্টে এড করা যায়। এরকম অনেক লিস্ট বানানো যায়। যে 256 জনকে তুমি একটা লিস্টে এড করলা ওই একটা মেসেজ যদি তুমি এই লিস্টে পাঠায় দাও তাহলে একবারে 256 জন পেয়ে যাবে পার্সোনালাইজড মানে সে মনে করবে তুমি তাকে ওয়ান টু ওয়ান মেসেজ দিছো কারণ হে গ্রুপ বানাইলে কি হয় যে 256 জন মিলে গ্রুপ বানালে মানুষ বিরক্ত হবে এ মেসেজ দিবে সে মেসেজ দিবে এটা কিন্তু তা না এটা হচ্ছে জাস্ট ওয়ান টু ওয়ান মেসেজ চলে যাবে সে যদি রিপ্লাই করে
তুমি আবার ওয়ান টু ওয়ান পেয়ে যাবা আবার যেমন হতে পারে সেটা হলো তুমি ধর খুব ক্লোজ কোন ইয়ে বানা বানাইলা Facebook গ্রুপ বানাইলা। যে Facebook গ্রুপে অনেক মানুষ না বা যারা মানুষ তারা তোমার ক্লোজ ইন্টারেকশনে। ফলে ওখানে যদি তুমি কোন পোল করো ভোট করো বা মতামত চাও তাহলে কিন্তু তুমি কাইন্ড অফ পার্সন ধরে ধরে জানতে পারতেছো। মানে এটা ফেসবুক অ্যাডের মতো না। এবং যদি ওখানকার কোন পার্সনকে তুমি আবার ফারদার ইন্টারেকশন করতে চাও তুমি তাহলে ধরে তাকে আবার ইনবক্সে তুমি তাকে মেসেঞ্জারের থ্রুতে তুমি তাকে আবার মেসেজ পাঠাইতে পারো। সহজ কথা তোমার এই পোরশনটা
যেটা আমরা বলতে চাচ্ছি যে কেমনে আগে বেস বা বানানোর আগে তার জন্য তোমার একটা এমন মেকানিজম দরকার যেটার থ্রুতে তুমি ডিরেক্টলি তোমার টার্গেট অডিয়েন্সের সাথে কমিউনিকেট করতে পারবে এখন এক্ষেত্রে আবার একটা জিনিস বোঝার আছে সেটা হইতেছে যে আমি রেন্ডমলি দুই 500 400 ইমেইল এড্রেস পাইছি এন্ড তাদেরকে আমি একটা কিছু পাঠায় দিলাম কি মনে হয় কাজ করবে করবে না তুমি রেন্ডম লোক নিয়ে তো লাভ নাই তাহলে প্রথমত বা WhatsApp নাম্বার তুমি পাইছো অনেকগুলা রেন্ডম পিপল পাঠায় দিলা নো। তাহলে জিনিসটা কিভাবে করতে হবে? করতে হবে এভাবে। তোমার
যেটা টার্গেট সেক্টর সেটার সাথে এলাইন করে এরকম লোক আগে খুঁজে বের করতে হবে। এখন এরকম লোক কিভাবে খুঁজে বের করব। কথার কথা তুমি ধরা যাক যে কোন একটা প্যারেন্টিং অ্যাপ বানাইতে চাও। বাচ্চাদের কোন একটা প্রোডাক্ট যেটা কিনে দিবে হয়তো তার বাবা মা। ফলে তাইলে তুমি যারে তারে জিজ্ঞেস করে কিন্তু লাভ নাই। লাগবে ওই প্যারেন্টসদেরকে যারা তোমার এই প্রোডাক্ট কিনতে পারে। তাহলে এখন তুমি সোশ্যাল মিডিয়া দিয়ে যদি এটা স্টার্ট করতে চাও তাহলে কি হইতে পারে বা YouTube চ্যানেল দিয়ে যদি স্টার্ট করতে চাও তাহলে তুমি ভ্যালুয়েবল কন্টেন্ট ডেলিভার করা
শুরু করলা। যে ভ্যালুয়েবল কন্টেন্ট ডেলিভার করতে গেলে শুরুতে যেটা হইতে পারে তোমার এনাফ ট্র্যাকশন নাই। তখন তুমি পেইড অড রান করতে পারো। আমরা এই টার্মটা অনেকেই জানি বোধয় লিড ম্যাগনেট বা অনেকে নাও জানতে পারি। লিড ম্যাগনেট। লিড ম্যাগনেট মানে হল তোমরা অনেক সময় দেখবা যে বিভিন্ন কিছু সুন্দর সুন্দর কন্টেন্ট আসে ভিডিও আসে ওই ভিডিওর ভিতরে খুব সুন্দর একটা বা দুইটা লেসন দেয় দিয়ে তারপরে বলে যে পুরা লেসনটা আমি একটা পিডিএফ বানায় রাখছি আপনারা যদি চান ডাউনলোড করতে পারেন তখন ডাউনলোড করতে গেলে কি তোমাকে ইমেইল এড্রেস
দিতে হয় যে এইভাবে তুমি যদি ইমেইল কালেক্ট করো তাহলে যে কন্টেন্টটা ইউজ করে তুমি ইমেইল কালেক্ট করছো এটাকে বলা হয় লিড ম্যাগনেট ওটা ইউজ করে তুমি ইমেইল এড্রেস কালেক্ট করতে পারো হ্যা নাম্বারও কালেক্ট করতে পারো তাইলে সুবিধা যেটা হল কারা কারা তোমাকে ইমেল এড্রেস দিল যারা তোমার এই কন্টেন্টে ইন্টারেস্টেড আন্দাজে যেকোন লোক না যার সাথে তোমার অলরেডি কিন্তু একটা কানেকশন চলে গেল তুমি তাকে একটা ভ্যালুয়েবল অলরেডি কন্টেন্ট দিছো এবং এরপর তুমি তাকে একটা সুন্দর পিডিএফ বা কিছু একটা পাঠাচ্ছ বা ফুল কোর্সে হয়তো তুমি তাকে লিংক দিয়ে দিচ্ছ
বোঝা গেছে কথা তাহলে সে কন্টেন্টটা কি হইতে পারে সেটা তো তোমার রিসার্চের বিষয় তোমার ক্রিয়েটিভিটির বিষয় কিন্তু অন্ট্রপ্রেনার হবা আর তোমার মাথায় কোন বুদ্ধি কাজ করতেছে না তাহলে তো অন্ট্রপ্রেনার হওয়া হবে না ডেফিনেটলি স্মার্ট এন্ড ক্রিয়েটিভ এটা বোঝা গেছে কিনা গিভ ইউ একদম স্পেসিফিক এক্সাম্পল যে এক্সাম্পলে ছিলাম যে প্যারেন্টিং টাইপের তো তুমি কি করলা প্যারেন্টিং এর যে তিনটি ভুল আমরা সবাই করি এইটা বইলা খুব ক্যাচি তিনটা ভুল এমন ভুল যেটা প্রায় সবাই করে বাট মানুষের সেন্সে নাই এরকম দিয়ে ছোট্ট একটা ভিডিও বানাইছো এখন বানানোর পরে
সোশ্যাল মিডিয়াতে ছাড়ছো বাট এনাফ ট্র্যাকশন তুমি পাও নাই তাহলে ঠিক আছে তুমি অল্প কিছু ডলার খরচ করে এটাকে বুস্ট করো তাইলেফেসবু এটলিস্ট তোমাকে ওয়েডার অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছা দিবে যারা এটা দেখবে দেখার পরে তুমি এই ভিডিওতে দুই তিনটা টিপস বলার পর বললা যে আমার এটার এটার উপর ফুল কোর্স আছে যেটা আমি আপনাকে ফ্রি দিতে চাই অথবা এটার উপর আমি একটা পিডিএফ বানাইছি অথবা এটার উপর আমি একটা কিছু একটা বানাইছি যেটা আরো এক্সটেন্সিভ আরো বেশি কিছু আছে আপনারা যারা ডাউনলোড করতে চান তারা নিচে ইমেইল এড্রেস দেন বা হম্বার দেন আমি পাঠাই দিচ্ছি তাহলে তোমার
সাথে কি হয়ে গেল কানেকশন বোঝা গেছে বিষয়টা এইভাবে তুমি তোমার ইমেইল লিস্ট জেনারেট করলা এরপর তুমি প্রয়োজনে ফারদার তাদেরকে আরো আরো কন্টেন্ট দিলা যাতে তোমার উপর তার কি তৈরি হয় আস্থা তৈরি হয় ভালোবাসা তৈরি হয় এখন কিন্তু তোমার কোন হেভি কোন ইয়ে যাচ্ছে না ইনভেস্টমেন্ট যাচ্ছে না এইভাবে তুমি বেশ কিছু ইমেইল কালেক্ট করলা 200 500 400 1000 2000 যত বেশি হয় তত তোমার জন্য ভালো এরপর যখন ইউ হ ইমেল লিস্ট হ নাম্বার লিস্ট যাদের সাথে তোমার এইযে কমিউনিকেশন হচ্ছে এদেরকে তুমি যে কাজটা করবা এটা কিন্তু স্টেপ বাই স্টেপ করতে হবে যে কয়টা স্টেপে আছে সেই কয়টা
স্টেপে করতে হবে অনেকে এক নাম্বারের পরে তিন নাম্বার ডাইরেক্ট চলে যায় বা চার স্টেপে একবারে ইমপ্লিমেন্ট করে এটা হলে কিন্তু হবে না তো আমি স্টেপগুলা বলব তোমরা এটা একটু নোট নিবা প্রচুর অন্ট্রপ্রেনর ধরা খাইয়া খালি মুখের কথা বিশ্বাস কইরা আরে ভাই ভাই আগাও আমরা তোমার সাথে আছি ও ধইরা নিচ্ছে ওরে ভাই সবাই তো আমার সাথে আছে ইনভেস্টমেন্ট তো কোন ব্যাপার নাই না তারপর দেখা যায় কেউই তার সাথে নাই প্রোডাক্ট বানাইলেই বেচা হবে না তুমি যত সুন্দর প্রোডাক্ট বানাও ফলে এখন যদি তুমি বল যে ভাই আমার তো বেচার স্কিল নাই তাইলে তুমি প্রোডাক্ট বানানো বাদ দিয়ে আগে তাহলে
পার্টনার খুঁজও যে তোমাকে বেচতে হেল্প করতে পারে রিপিট বেচার স্কিল এনসির না কইরা বানাইতে যাইও না আর আর এটা একটা ফ্রেমওয়ার্ক এটা আমরা আলোচনা করব ভেরি এক্সাইটিং যে এই পাঁচটা জিনিস আছে এখানে পাঁচটা জিনিসের কি নাম কি ধাম কি পরিচয় সেটা আমরা জানব ইনশল্লাহ ডাবল ট্রিপল একটা ফ্রেমওয়ার্ক