আমার নবীর নবুয়ত প্রকাশ



এক বুড়ি মক্কা শরীফের মধ্যে ছিল কুফরি ধর্মের উপর বদ্বীনর উপর আমার নবীর নবুয়ত প্রকাশ করেছেন এ শুনল নতুন একজন নবী এসেছে ওই নতুন নবী নতুন কলমা নিয়ে এসেছে তাদের মূর্তি বুত দেব দেবীকে ভন্ড বলতেছে বোখাস বলতেছে নতুন একটা খোদার মেসেজ নিয়ে এসেছে ওই বুড়ি বলে ওই মোহাম্মদকে আমি দেখা দেবো না, কার কাছে যাবো না। কথা শুনবো না। কার চেহারাও দেখবো না। আমি বাকি জিন্দেগী অন্য জায়গায় গিয়ে পাহাড়ি এলাকায় গিয়ে আমি বাকি জীবন আমার ধর্মের উপর শেষ করে দেব। ঘাটটি গুটুরি ফেলে বোঝাটোজা নিয়ে বাড়ি বুড়ি এলাকা ছেড়ে চলে যাচ্ছে। একটা কথা আছে


যেখানে গেলে বাঘের ভয় সেখানে গেলে রাত হয়। ঠিক না? যেখানে গেলে বাঘের ভয় সেখানে গেলে রাত হয়। যার ভয়ে বুড়ি পালিয়ে যায়। ওই নবী সামনে এসে হাজির। ওমা ও বুড়িমা এতগুলো বড় বড় ঘাটতি নিয়ে। কোথায় যাচ্ছেন যে আপনি? আপনার কষ্ট তো আমার বরদাস্ত হচ্ছে না। ওমা গাট্টিগুলো আমাকে দেন আমি দিয়ে আসবো কোথায় যাবেন বলেন বুড়ি বলে রাস্তা ছাড়ো কে তুমি ডিস্টার্ব করো না আমাকে আমার রাস্তায় যেতে দাও আমার নবীর নাসুর বান্দা ও মা কোথায় যাবে বল গাট্টি সবগুলো আমার কাঁধে নেব তোমার বেশি কষ্ট হচ্ছে মারে তুমি এত কষ্ট করে কোথায় যাচ্ছ তো এত বড় বড় গাট্টি নিয়ে আমার


নবী বলেন মা গাট্টিগুলো আমাকে দাও খবরদার আমি কোন ঘাটটি কোথাও নেবো না ধরবো না খুলবো না যেখানে যাবে সেখানে দিয়ে আসব নজর বান্দা বুড়ি অপারক্ষ গাটি আমার নবীর হাতে দিয়ে দেয় কিন্তু চিনে না যে নবী আখেরুজমান সুবহানাল্লাহ >> যার ভয়ে পালিয়ে যায় ও বুড়ির সামনে আমার নবী গাটিগুলো হাতে নিয়ে নে নিতে নিতে নিতে নিতে পাহাড়ি এলাকায় চলে যায়। একদম অরণ্য পাহাড়ি এলাকায় গিয়ে বুড়ি বলে ও জওয়ান রাখো এখানে। আমি আর যাবো না। আমার নবী ঘাটতিগুলো রেখে মা যদি মনে চায় একটু দোয়া করো আমার জন্য। আমি চলে যাচ্ছি। বুড়ি ডাক দেয় এই জাওয়ান কোথায় যাচ্ছ রে? পরিচয়


না দিয়ে কে তুমি? আমার কোন আত্মীয়স্বজন এগিয়ে আসলো না আমাকে সাহায্য করতে আমার কোন আপনজন আসলো না আমার ঘাটটি আলগাতে কে তুমি তোমাকে তো চিনি না কোনদিন দেখি নাই হে আমাকে এত উপকার করলে দোয়া চেয়ে চলে যাচ্ছ যে পরিচয়টা দিয়ে যাও আমার নবী বলেন মা পরিচয় দিলে হাতে ডান্ডা নেবেনি কোন হাতে লাঠি নেবেনি কোন বলে বাবারে তুমি লাঠি নেওয়ার কাজ করো নাই তুমিতো বুকের সাথে লাগানোর কাজ করেছ। সুবহানাল্লাহ। আমার নবীর রাস্তা আবার ক্লিয়ার হয়ে যায়। ওমা যে মোহাম্মদের ভয়ে তুমি পালিয়ে যাচ্ছ, যে মোহাম্মদের কলমার ভয়ে পালিয়ে যাচ্ছ, যে


মোহাম্মদের নতুন ধর্মের ভয়ে পালিয়ে যাচ্ছ, আমি সেই নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ। উচ্চস্বরে বলুন সুবহানাল্লাহ। পরের আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায়। নেতর পাথরের মত চোখ দুনোটা নিয়ে ঝরঝর পানি বাইর হয়ে যায়। আমার নবীর দিকে দেখে দেখে ওবুক তুমি যদি মোহাম্মদ হয়ে থাকো তোমার বিরুদ্ধে বলেছে তোমার ব্যাপারে ভুল ধারণা দিয়েছে তুমি তো কোন কাজ্জাব হতে পারো না তুমি তো কোন ব্যতিক্রম মানুষ হতে পারো না ও মোহাম্মদ তুমি যদি শেষ জামানার নবী হয়ে থাকো আমি এই মুহূর্তে আমার বাপ দাদার দিন না পায়ের নিচে দিলাম তোমার ধর্ম আমাকে দান করো কলমা পড়াও মুসলমান বানাও। আমার নবী


কলমা পড়ায় দিলেন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ। উচ্চ আওয়াজে বলুন সুবহানাল্লাহ। কাললা আপনি বোঝা আলগাতে যারা কম তাদের বোঝা নিজে আলগায়ে দেন। আর আমরা এখন এয়ারপোর্ট থেকে আসার সময় ডাকাতরা ড্রাইভার সাজে বসে থাকে। ওই প্রবাসী দুই চার পাঁচ বছর টাকা পয়সা কামাইয়ে ঘরের জন্য, মার জন্য, বাবার জন্য, বউয়ের জন্য, বাচ্চাদের জন্য কিনা কষ্ট করে যে মাল সামানা কিনেছে, কানের দুল নিয়েছে। এই ডাকাতের বাচ্চারা এয়ারপোর্টের মধ্যে গাট্টিগুলো খালি করে দেয়। অহরহ চুরি হচ্ছে কিনা? হচ্ছে >> এয়ারপোর্টের কথা কইলাম কি করেন না দিতে


দোত বড় করে কও নাউজুবিল্লাহ >> ও মাওলা ও খোদাকে পেয়ারে খোদাকে দুলারে মোহাম্মদ যুদু কে হামি না হতে মোহাম্মদ যুদুওকে হামি না হতে তুই বেকারার কেয়া হাল হতা আগার কামলিওয়ালে কি রহমত না হতি তো কিসমত কেমারো কা কেয়া হাল হতা রাসূলে খোদা কা সাহারা না মিলতা রাসূলে খোদা কা সাহারা না মিলতা তোম সাহার কেয়া হাল হতা মোহাম্মদ কা জল জল খোদা মোহাম্মদ কা পদা হ পদা খোদা আগার আপ আজাতে পদে দেশ বাহের আগার আপ আজাতে পরদেশ বাহের তোফর চান্দ তার কায়া হাল হতা রাসূলে খোদা কা সাহারা না মিলতা তো হামবে কা কেয়া হাল হতা আগার কামলিওয়ালে


কি রেহমত না হতি তো কিসমতকে মারো কেয়া হালতা মুত্তাকি মানে পরহেজগার মুত্তাকি মান খোদাবিরত এ আমরা সাধারণভাবে বুঝি কিন্তু কিতাবের ভিতরে গেলে মুত্তাকি কাকে বলে মত বলা হয় আল্লাহ রাব্বুল আলামন যে কাজগুলো করতে বলেছেন ওই কাজ যারা করেযে যে কাজগুলো ছেড়ে দিতে বলেছেন ওই কাজগুলো যারা ছেড়ে দেয় তাদেরকে বলা হয় মুত্তাকি >> সুবহানাল্লাহ >> আবু বকর সিদ্দিক মুত্তাকি নন আবু বকর সিদ্দিক হলেন আত সুপারলেটিভ ডিগ্রি ইজমে তফসিল আবু বকরের মত মুত্তাকি আসমানের নিচে জমিনের উপরে দ্বিতীয় নেই। আবু বকর হলেন নবী রসূলের পরে আদম আলাইহিস সালামের উম্মত


থেকে আমাদের নবীর কেয়ামতের ঠোঁড়া পর্যন্ত যত ঈমানদার আসবে সবচাইতে বড় মুত্তাকী হলেন আবু বকর সিদ্দিক। সুবহানাল্লাহ। >> আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এত দাম, এত মান, এত সম্মান, এত মর্যাদা, এত বুজুর্গী, এত কামেলিয়াত, এত সরাফত, এত মর্যাদা, এত তাজিম হওয়ার কারণ কি? নবীর নামের সাথে সাথে যার নাম নিতে হয় খুতবার মধ্যে যার নাম না নিলে খুতবাও আনকমপ্লেট থাকবে খুতবা এদমাম হবে না কমপ্লিট হবে না কেন হে আবু বকর সিদ্দিক আমার পেয়ারা নবীর সাথে বাল্যকাল থেকে বন্ধুত্ব করেছেন আমার নবীর সংশ্র গিয়েছেন নবীর সান্নিধ্যে


গিয়েছেন সৌবতে গিয়েছেন নবীর সহচর হিসেবে সঙ্গ নিয়েছেন। অথচ নবুয়ত প্রকাশ করেন নাই। 40 বছর বয়সে নবুয়ত প্রকাশ করবেন। কিন্তু সাত আট বছর থেকে নবীর সাথে পরিচয়, নবীর সাথে বন্ধুত্ব, নবীর সাথে উঠাবসা, নবীর সাথে থাকতে থাকতে থাকতে থাকতে আবু বকর সিদ্দিক এমন চরিত্রের মুতাখাল্লাক হয়ে গিয়েছেন যে চরিত্র আমার নবীর মধ্যে ছিল নবীর চরিত্রের মধ্যে কোন যেমন দাগ নাই স্পোর্ট নাই বিচ্যুতি নাই কোন ধরনের স্পোর্ট নাই নবী যেমন নিকুত আবু বকর সিদ্দিকুন নিকুত চরিত্রের মালিক হয়ে গেলেন হতে হতে হতে হতে বয়স হয়ে গেল সাড়ে বছর। তার নবীর বয়স হয়ে গেল 40


বছর। 35 বছর থেকে আমার নবী মক্কা শরীফের মানুষ থেকে আলোক হয়ে গেলেন। 35 বছরে কাবা শরীফ নির্মাণ হলো। পুনঃসংস্কার করা হলো। 35 বছরে কাবা শরীফ মেরামত করা হলো। ওখানে প্রশ্ন আসলো হজরে আস ফিট করার কে ফিট করবে? এক গোত্র বলে আমরা করব। আরেক গোত্র বলে আমরা করবো। আরেক গোত্র বলে আমরা করবো। 70 গোত্র মারমুখী অবস্থা হয়ে গেল। কে হাজারে আসওয়াদ কাবা শরীফের সাথে ফিট করবে। এখন ইসলাম প্রকাশ হয় নাই। কিন্তু আমার নবী আছেন মক্কা শরীফ। নবীর বয়স 35 বছর। ওই গুপ মক্কা। কুরাইশ মক্কার মার মুখে অবস্থা। তারা বলে আমরা লাগাবো। আরেক


গ্রুপকে বলে কাছে আসলে মেরেবেলপস জবাই করে দেব। এক মানুষ এসে যায় এই মক্কার কুরাইশরা ঝগড়া করিস না। আমি একটা পরামর্শ দেব। কি পরামর্শ? কালকে সূর্য উঠার আগে আল্লাহর ঘরের সামনে যিনি আসতে পারবেন সবার আগে ওই ব্যক্তি যে সিদ্ধান্ত দেয় সেই সিদ্ধান্ত মতে কাবা শরীফের সাথে পাথর হাজরে আসওয়াদ ফিট করা হবে। আমার এ বক্তব্য তোমাদের কেমন লাগতেছে বলে ঠিক আছে এটাই চূড়ান্ত সবাই সারারাতভর জাগ্রত সকালে উঠে কাবা শরীফের সামনে যে ব্যক্তি আসবে সে সিদ্ধান্ত দেবে কিন্তু আসবে কে সারারাতভর চেতন সকালের আগে আগে 70 গোত্রের সমস্ত কাফের নেতা ঘুমের


মধ্যে পড়ে গিয়েছে আমার নবী সবার আগে হাজির এরা ঘুম থেকে উঠে চোখ খুজলা গোজলায়ে বিভিন্ন দরওয়াজা দিয়ে ঢুকতেছে। আমার নবী দন্ডায়মান দাঁড়িয়ে রয়েছেন। এরা বলে উঠে আল আমিন তোমরা সকলের আগে চলে এসেছেন। আমাদের সকলের আগে চলে এসেছেন। আমার নবী বলেন আসো আমি আগে আসলেও আমি একা খাবো না। আমি একা খেতে আসিনি। আমি আমার পেট ভরাতে আসিনি আমি আমার উম্মতের পেট ভরাতে এসেছি আসো সবাই আমার নবী কাছে ডাকলেন সবাইকে আমি তোমাদেরকে ফেলে কোন কাজ করব না অথচ সবাই কাফের 70 গোত্রের নেতা সবাই কি কোরাইশের কাফের আমার নবী বললেন একটা বড় চাদর নম


সাদর নিলেন রসূলের হাত মোবারক দিয়ে এ হাজরে আসওয়াদ চাদর মোবারক উপর রাখলেন হজরে আসওয়াদ যেটা কাবা শরীফের দক্ষিণ পূর্ব কর্নারে আড়াই ফিট উপরে গর্ত করা শিষা ঢালাই করা শিষের ফ্রেমে এখন আট থেকে নয়টা টুকরা আছে এত বড় বড় এটা তখন যখন গোটা ছিল পাথর আমার নবী এখানে রাখলেন। রেখে বললেন এই 70 গোত্রের নেতারা। চাদর 70 জনে ধরো। চাদরকে ৭ >> ধরো। 70 জন চতুর্দিক দিয়ে চাদরের কোনা ধরে আলগালো। আলগায়ে কাবা শরীফের কাছে নিলে আমার নবী আবার পাথরটা নিয়ে কাবা শরীফের সাথে কর্নারে ফিট করে দিলেন। বড় করে বলুন সুবহানাল্লাহ। >> সমস্ত কাফের বেবাক হয়ে যায়। আমার নবীর এই


বিচক্ষণতা দেখে, নবীর এই প্রজ্ঞা দেখে, বাবা, মোহাম্মদ আজকে আমাদেরকে মারমুখী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থেকে বাঁচিয়ে ফেলেছে। >> সুবহানাল্লাহ। আর নবী এত বিচক্ষণ আছিল না এবার নবুয়ত প্রকাশ করনর পরে বিচক্ষণ হইবে তো নবী তো নবী কিনা >> 35 বছর তো নবী নবীন >> 20 বছর নবীন 10 বছর নবীন পাচ বছর নবীন মায়ের পেটের ভিতরে আমার নবী নবী কিনা >> নবী শিখলে শিখ শিখ বাংলাদেশের শিখে গুনা মোবাইলের 40 বছর আগে নবী নবী না বড় করে বলুন নাউজুবিল্লাহ >> আমার নবী বাবার পেশানিতে নবী মায়ের পেটের ভিতর নবী দাদার পেশানিতে নবী এজন্য খাজা






আব্দুল মুত্তালিব আব্রাহার সামনে গেলে যে হাতির পিঠের উপর আব্রাহা বসা ছিল ওই হাতি থেকে নেমে আব্রাহা নবীর দাদার কাছে আসলে ওই হাতি দূরে এসে নবীর দাদার কদমে সিজদা দিয়ে দিয়েছিল >> আব্রাহা বলে এই হাতি মাহমুদ হাতিবের নাম কি মাহমুদুল হাসন দেওবন্দি [সশব্দ হাসি] হাতিফের নাম কি >> মাহমুদ হাতির নাম পর্যন্ত ইতিহাস এ হাতি আমি তোমাকে খানা দিয়েছি বলায়েছি ঘরের মধ্যে হেফাজত করেছি রক্ষণাবেক্ষণ করে এত বড় বিশাল বডি ফিগারখানা দিয়ে তৈরি করেছি আমাকে কোনদিন সিজদা দাও নাই তুমি আব্দুল মুত্তালিবকে কেন সিজদা দিলে বলে আব্দুল


মুত্তালিবকে দি নাই কাকে দিয়েছে বলে ওনার কপালের মধ্যে একটা আজিমুশান নূর ঝলমল করতেছে যে এ নূরকে সিজদা দিয়েছিলে অথচ আমার নবী তখন আব্দুল মুত্তালিবের পেশানিতে ছিলেন না নবী তখন ছিলেন নবীর মায়ের পেটের ভিতরে >> আগে ছিলেন যে আব্দুল মুত্তালিবের পেশানিতে এই নূরানী ঝলক এখনো হয়ে গেছে >> তাহলে আমাদের নবী দাদার পেশানিতেও কি ছিলেন? >> নবী ছিলেন। যেতে যেতে উপরের দিকে ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম, ইসমাইল আলাইহিস সালাম, ইদ্রিস আলাইহিস সালাম আরো উপরে গিয়ে হযরতে সাইদুনা শীষ আলাইহিস সালামের পেশানিতে নবী


ছিলেন, শীষ আলাইহিস সালামের আগে আদম আলাইহিস সালামের পেশানির মধ্যে নিয়ে নবীকে নিয়ে বেহেশত থেকে উনি এসেছেন। সুবহানাল্লাহ। অনেক লম্বা কথা এগুলো আপনারা গোটা বছর শুনেছেন আমার বলা এটা নয় 35 বছর বয়স আমার নবী কুফার 70 গোত্রের নেতাদেরকে নিয়ে কাবা শরীফ সংস্কার করলেন নবী কাবা শরীফ সংস্কার করার সময় পাথর আনতে ছিলেন কোরাইশরা ওখানে নবীর চাচারাও আছেন। বিশেষ করে নবীর চাচা হযরতে আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব। পরবর্তীতে বদরের যুদ্ধের পরে উনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। নবীর চাচা হযরতে আব্বাস। উনার ছেলে হযরতে আব্দুল্লাহ। ইবনে


আব্বাস। উনি হলেন রাইসুল মুফাসসিরিন। রাইসুল মুফাসসিরিন মুফাসসির কুল সম্রাট। পৃথিবীর জমিনে সাহাবীদের মধ্যে সবচাইতে বড় মুফাসসেরে কোরআন হলেন রসূলের চাস্ত ভাই হযরতে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস। কোন কলেজ? কোন ইউনিভার্সিটির ডিগ্রি? কোন ইউনিভার্সিটি না আমার নবী শুধু সিনার মধ্যে হাত রেখে দোয়া করেছেন যে আল্লাহুম্মা আল্লিমহুল কিতাব আল্লাহ আমার চাষ ভাই আব্বাসকে আব্দুল্লাহকে তুমি কোরআনের এলম দান করো >> নবীর একই দোয়ায় মোবাসের কুল সম্রাট হয়ে গেছে ওখানে পাথর আনতেছেন। নবী পাথর নবী বলেন যে এরা সবাই কাফের এরা


পাথর আনতেছে আমিও আনবো আমার নবী পাথর আনতেছেন কাঠ মোবারকের উপর পাথর নিয়ে আসতেছেন বড় বড় নবীর চাচা আব্বাস বললেন ভাতিজা যেভাবে তুমি পাথর আনতে চাও কষ্ট হবে তুমি সহজভাবে আনার জন্য একটা কাজ করো কি কাজ বলে তোমার লুঙ্গিটা খুলে ফেলো। নাউজুবিল্লাহ বলেন। >> উলঙ্গ হয়ে যাও। কারণ কাফেরেরা বাড়িতে ঘরে বাজারে কাপড় পরত, লুঙ্গি পরত। আল্লাহর ঘরে গেলে আল্লাহর ঘরে তাওয়াফ করতে গেলে এরা লুঙ্গি খুলে উলঙ্গ হয়ে যেত। এরা এদের এটা এদের চিন্তাধারা। বলে আমরা মায়ের পেট থেকে যে উলঙ্গ অবস্থায় বিবস্তর অবস্থায় অরজিনিয়াল ড্রেস নিয়ে এসেছি আল্লাহ


আমাদেরকে যে ড্রেস দিয়ে পাঠিয়েছেন সেই ড্রেস দিয়ে আল্লাহর ঘরে তাওয়াফ করব তারা আল্লাহর ঘরে তাওয়াফ করার সময় লংটা হয়ে যেত বড় করে বলুন নাউজুবিল্লাহ >> সবাই উলঙ্গ কাবা শরীফের মেরামতের পাথর আনতেছে। আমার নবীও আনতে শুরু করলেন বিরাট বিরাট পাথর। চাচা এসে বলে বেবুত লুঙ্গি খুলে গলার সাথে লটকাও। এখানে নিলে এইভাবে পাথর যদি এখানে নাও লুঙ্গি গলার সাথে লটকায়ে তোমার আর কষ্ট হবে না। কাধের উপর দিয়ে চলে যাবে কষ্ট। চামড়াও ছিড়বে না। আমার নবী বলেন চাচা আমি তো লুঙ্গি খুলবো না। আমি লুঙ্গি খুলবো না। আমি লুঙ্গি


খুলতে পারবো না। কেন ভাতিজা আমরা সবাই খুলে ফেলেছি। তুমিও খুলে ফেলো। চাচা আমি লুঙ্গি খুলবো না। আমি লুঙ্গি খুলতে আসিনি। যারা লুঙ্গি খুলে ফেলেছো তোমরা। আমি তোমাদেরকে লুঙ্গি পরাতে এসেছি। সুবহানাল্লাহ। >> আমি তোমাদেরকে লুঙ্গি পড়াতে এসেছি। আমি লুঙ্গি খুলবো না। আপন চাচা বারবার বলার কারণে আমার নবীজির চাচার আবদার রক্ষার জন্য হাতকে লুঙ্গির গিড়ের দিকে নিলে আসমান থেকে ওহী আসার আগে ওহী আসবে যে 40 বছর বয়সে। এখন 35 বছর। আসমান থেকে একটা বিকট আওয়াজ আসলো। ইয়া মোহাম্মদ খবরদার খবরদার চাচার আবদার রক্ষার জন্য আপনি তো লুঙ্গি খুলে ফেলতেছেন মনে হয়


খবরদার লুঙ্গি খুলবেন না এটা শোনার সাথে সাথে নবী বেহুশ হয়ে মাটির মধ্যে পড়ে গেলেন >> যখন হশে আসে যখন হসে আসে আমার নবীর লুঙ্গি মোবারক মুট ভরা হাতের মুটুতে ধরা ছিল। চাচাকে বললেন চাচা আমি লুঙ্গি খুলতে আসিনি। আমি লুঙ্গি পরাতে এসেছি তোমাদেরকে। সুবহানাল্লাহ। >> বউ চাচাল দাদাল আছে না নাই? বাড়িত রাস্তাত ঘরত পর্যন্ত যাই হই গো মারি। আছে না? নাউজুবিল্লাহ। এগুনতে দেই দেই বহুত ইয়ং ইয়ং বিয়ে করছি পোয়া দুই গই এলে গৌর পর্যন্ত আজ আদা বিন্দি বিন্দি বাড়িত সমাজত আদা আছে না নাই >> বড় করে ক নাউজুবিল্লাহ


>> মা বাবা ডাকদের কিছু নয় শরমলার আবার পোয়ারটানে কিন্তু খুশি হলার মারে মার পোয়া বয় বড় বড় করে কন নাউজুবিল্লাহ। >> নাউজুবিল্লাহ। >> এই ধরনের বেহায়াই এই ঘরের সমাজত ন? >> আছে। >> বুড়া হলো হরফ খুলি ফেলার। জোয়ান হলো আধাবেন মিনিটের। ঠিক না? >> ঠিক। >> এগেন মুসলমানের কালচার না ইহুদী নসরারের কালচার? আজ আর এই ধরনের আদা সুযোগ আছে না? হাত তুলে কই। >> হাত তুলে বলুন সবাই। >> ওয়েলকাম। দুনিয়া আমার নবী আমার আলোক হয়ে গেলেন 35 বছরের পর থেকে নবী মক্কা শরীফের মানুষের সাথে যেয়ে


মিশর গিয়েছিলেন 35 বছর এবার আলোক হয়ে গেলেন নবী ঐ মক্কা শরীফ থেকে অতি দূরে গারে হেরার পথ ধরলেন ওখানে গিয়ে নবীর নামাজ পড়তেছেন, মোরাকাবা করতেছেন, মুশায়দা করতেছেন, জিকির করতেছেন, এবাদত করতেছেন, ধ্যান মগ্ন থাকতেছেন, ধ্যানের মধ্যে মগ্ন। নির্জনে একা একি একা একিভাবে সবাইকে ছেড়ে দিয়ে এমনকি প্রাণপ্রিয় স্ত্রী উম্মুল মুমিনীন মা খাদিজাতুল কুবরা উনিও ঘরের মধ্যে 50 বয়স আমার নবীর জন্য খানারে দে খানা পাক করে এ বয়স্ক একজন মহিলা যখন উঠার কোন ব্যবস্থা ছিল না থাকছিল না ওখানে মা খদিজা আমার নবীকে বেলিখানা দিয়া আসতেন।


>> সুবহানাল্লাহ। >> এখনো মরদ পোয়া উটে থাকগরে দিয়ে এখন থাকগরে দিয়ে এনে থাক। মরদ পোয়া উঠে সাইজ নগরে। মোরা মানুষ এডা ন উডে। ঘুরিরে নিচের থেকে যায় চলি আইদে। এবে যায় যাগুই। এডা উঠে আধা পারিন্নাই যায়। পেট লইয়া উঠে যাইত দেয়। সিলিম বডি হলে দারে এখন মা খদিজাতুল কবরা সকাল সন্ধ্যা আমার নবীকে খানা দিয়ে আসতেন ওখানে >> সুবহানাল্লাহ >> 40 বছর হল এ 35 থেকে 40 বছরে আমার নবী কোরআন আসার আগে নবুয়ত প্রসব প্রকাশের আগে একটা সাবজেক্ট তৈরি করলেন। একটা সাবজেক্টের অনুশীলন করলেন সেটার নাম হল এলমে তাসাউফ


এলমে তরিকত যারা পীর ধরে নির্জনে এবাদতের শিক্ষা আমার নবীর নবুয়ত প্রকাশের আগে গারে হেরার মধ্যে বসে বসে চর্চা করে দুনিয়াকে শিক্ষা দিয়েছেন অজায়েফ যত আছে পীর মুর্শিদের অজায়েফ এগুলো নির্জনে কিভাবে বসে পড়তে হয় সুবহানাল্লাহ তরিকত তারপরে আমার নবীর উপর কোরআন নাযিল হল রসূলের উপর পাঁচটা কোরআনের আয়াত নাযিল হল সর্বপ্রথম জিব্রল আলাই সালাম পাচ আয়াত নিয়ে আসলেন প্রথম হাদিস বাবা ওহ বিসমে রব্বিক আমার নবীকে বললেন পড়ুন নবী বললেন পড়নেওয়ালা নে আমি পড়তে আসিনি আমি পড়াতে এসেছি >> আমি পড়তে আসিনি পড়াতে এসেছি


রসূ জিব্রল আলাইহি সালাম ধরলেন আজাখরে ধরলেন সাপ দিলেন চিনাই চিনাই রসূ বলে আমার অন্তরের মধ্যে একটু সাহস আসল বল আসল আবার বলে রসূ আবার বলেন আমি পড়তে আসি না আমি পড়ব না একবার দুইবার তিনবার চতুর্থবারে যখন জিবরীল বলেন বিসমে আপনার প্রভুর নামে পড়ুন এত ক এতন হই কি তিনবার বলেছে ইকরা চতুর্থবারে যখন ইকরা বিসমে রাববি পড়েছেন আমার নবী আবার পড়তে শুরু করলেন >> এতক্ষণ পড়লেন না কেন জিবল তুই খাদেম তুই হুকুম কি তোর হুকুমে না সাথে তোর হুকুম কিতাম খোদার হুকুম দে সুবহানাল্লাহ আমার নবী পড়লেন পাঁচটা আয়াত প্রথম নাজিল


হলে এই আয়াতগুলো নিয়ে রসূলের কম্পন সুর হয়ে যায় জ্বর এসে যায় রসূল শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে যায় এত ভারী সকিল কোরআন আল্লাহর রসূলের শরীর দিয়ে কম্পন শুরু হয়ে যায় ওখান থেকে নেমে এসে দরওয়াজার মধ্যে এসে ডাক দিলেন খদিজালুনি মিলনি কম্বল নও কম্বল নও চাদর নও চাদর নও আমার বেশি খারাপ লাগতেছে লাক আমার জান বের হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আমার জান বের হয়ে যাবে মনে হচ্ছে এত কষ্ট হচ্ছে এত সেখাত এত বারিত অনুভব করতেছি তাড়াতাড়ি কম্বল নাও কম্বল নও আমার জানের খতরা লাগতেছে উম্মুল মুমিনন এ কথা শুনে আমার নবীকে এমন শব্দ বললেন যে কথা শুনে নবীর সমস্ত সমস্যার সমাধান হয়ে


গেল। >> এবার নবী বললেন আমার জান বের হয়ে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে। আমার জান তো বাইর হয়ে যাবে মনে হয়। এটা বলেছেন উম্মুল মুমিনিন মা খাদিজা বলেন কাল্লা আল্লাহ কাল্লা আল্লাহ কষনো না কষনো না খোদার কসম খোদার কসমল্লাহ আবাদা আল্লাহ আপনাকে কখনো রুসুয়া করবেন না শরমিন্দা করবেন না কষ্ট দেবেন না বিপর্যয়ে ফেলবেন না। আপনি জান বের হয়ে যাবে। এ ধরনের কথা বলবেন না। কারণ আমি 15 বছর আপনার সাথে পারিবারিক সাংসারিক জীবন যাপন করে আপনার ভিতরে কতগুলো গুণ দেখেছি। এই গুণ যার ভিতরে থাকে ওই মানুষকে আল্লাহ বিপদে ফেলেন না। সুবহানাল্লাহ।


>> নারায়ে তাকবীর। >> আল্লাহু আকবার। >> নারায়ে রিসালাত। ইয়া রাসুলুল্লাহ। >> নারায়ে গাউছিয়া, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত, জিন্দাবাদ। >> ঈদে মিলাদুন্নবী, >> জিন্দাবাদ। >> কয়টা গুন? কয়টা? >> কোরআনের কি আয়াত এসেছে এখনো খদিজা শুনে নাই। আমার নবী খদিজার সামনে তেলাওয়াত করে নাই। খদিজার রাদিয়াল্লাহু তালা বললেন এক নম্বরে ইন্নাকালাহ ওতাহমিলুল কাল্লা দুই ওতাকসিবুল মাদু তিন ওতাবিল বড় করে বলুন >> সুবহানাল্লাহ >> আমি আপনার মধ্যে পাঁচটা আখলাক দেখেছি এক নম্বর আখলাক হল আপনি বেশি বেশি করে


>> কি করেন মায়নির নিকট আত্মীয় যারা, ব্লাড কানেকশন যাদের সাথে, রক্তের সম্পর্ক যাদের সাথে, আপনি এই সম্পর্ক চিহ্ন করেন না। যারা সম্পর্ক চিহ্ন করে আপনি রসূল আরো জোড়া লাগায় দেন। >> সুবহানাল্লাহ। >> রক্তের সম্পর্ক চিহ্ন না করা। কিন্তু আরাফেলায়। মাতুন পোয়া কিনা? বাবতুন কিনা ভাই কিনা কিনা চাচার ভাই কিনা রক্তের সম্পর্ক আমরা ছিন্ন করে ফেলেছি কি আমলা গাছলা পাতার লাই মাছ লাই বাসর লাইতা দেলা মাছর বাগ লাই ইঞ্চি ইটার লাই ঠিক না >> বড় করে নাউজুবিল্লাহ আপনি রসূ রক্তের সম্পর্ক এটাকে আপনি মজবুত করেন


জোড়া লাগায়া দেন ছিহ্ন করেন না এ কারণে আল্লাহ আপনাকে বিপর্যয়ে ফেলবেন না কেয়ামত পর্যন্ত নবীর যে সমস্ত উম্মত সেলা রেহমি করবে আমার নবী ঘোষণা দিয়েছেন তাদের হায়াত লম্বা হয়ে যাবে >> আত্মীয়তার সম্পর্ক চিহ্ন না করলে তাদের খবরগিরি করলে তাদের খবর নিলে হাদিয়া দিলে দেখভাল করলে তাদেরকে গিফট দিলে খবরগিরি করলে তাদের হায়াত বেড়ে যাবে >> রক্তের সম্পর্ক চিহ্ন করলে তাদের এক নম্বর হায়াত কমে যাবে অল্প বয়সে মারা যাবে মারা গেন অসুখ নাই মারা গেন অসুখ নাই মারা গেন অসুখ সম্পর্ক আছে না নাইবিল্লাহ আল্লাহ তাদের দোয়া এই লাইলাতুল বরাতে কবুল


হবে যারা রক্তের সম্পর্ক চিহ্ন করেছে আপনি যারা বোঝাতে অক্ষম গা আলগাতে পারে না পোজা আলগাতে পারে না বালতি আলগাতে পারে না পানির শিয়াল গাতে পারে না। আপনি রসূ নিজে গিয়ে তার বোঝা তার বাড়িতে দিয়ে আছেন। >> সুবহানাল্লাহ। খদিজাতুল কবরা আমার নবীর তারিফ করতেছেন এখনো কোরআন শুনে নাই। কোরআন আছে নাই। পাচ আয়াতে এখনো নবীর জবান থেকে বার হয় নাই। মাদুল্লাহ আপনার মধ্যে তিন নম্বর গুণ হল এই দুনিয়ার জমিনে যাদের কেউ নাই তাদের জন্য আপনি রসূ আছেন >> যাদের কেউ নাইম আনা মেরা কাম মেরি কিসমত জাগানা তেরা কাম হে তেরে কদম মে আনা মেরা কামতা


মেরে কিসমত জাগানা তেরা কাম হে মেরি আখু কহে দিদ কি আরজু মেরি আখু কহে দিদ কি আরজু র পদা উঠানা তেরা কাম হ ত কাহা জম কি তো হাদি কাহার কাহা জ তো জিন দুনিয়ামে না কই আপনা কাহে উনক আপনা বানানা তেরা কাম হ সতকা সদকা মাওলা আল সদকা হাসনা সদকা খাজা পিয়া গস সাকলে কা সদকা খাজা পিয়া গস সাকলেন হাজরি হ গের কদম আনা মেরা কামতা মেরি কিসমত জাগানা কাম মাদুলা যারা অসহায় যারা নিশ যাদের বাড়ি নাই ঘর নাই খানা নাই পানি নাই বস্ত্র নাই অন্য নাই, কিছু বলতে কিছু নেই, তাদের ঠিকানা আমার নবীর বুকে। সুবহানাল্লাহ >> অসহায়ের সহায় এখনো দেখেন রাইতের 12টা


বাজতেছে সব দরজা বন্ধ বাদশার দরজা বন্ধ এমপির দরজা বন্ধ চেয়ারম্যানের দরজা বন্ধ পয়সাওয়ালার দরজা বন্ধ বিজনেসম্যানের দরজা বন্ধ মেম্বারের দরওয়াজা বন্ধ পয়সাওয়ালার দরজা বন্ধ মারেন্টের দরওয়াজা বন্ধ কিন্তু শাহ মহসেন আউলিয়ার দরওয়াজা খোলা শাহে আমানতের দরয়াজা খোলা গউস আজম মাইজভান্ডারীর দরওয়াজা আজকেও খোলা কালকেও খোলা 10 তারিখ তো একদম খোলা বছরকে বছর খোলা ইনারা দিনরাত বান্দাদেরকে দিতেছে >> কেন এনারা যে ভান্ড থেকে দিতেছেন ভান্ডগুলা মার্কেটের ভান্ড না এগুলা খোদার দেওয়া ভান্ড সুবহানাল্লাহ। >> খোদার দেওয়া ভান্ডার মধ্যে পুরানি আছে না?


>> নাই। >> শেষ আছে না? >> নাই। >> ইবের কিনারা আছে না? >> এত লাইক যাইরে ধরনা দেইয়া গাউসুল আজম আলমাদ। গরীব নেওয়াজ। ইয়া খাজা কারাম, খাজা কারাম, খাজাম, বড় করে বলুন। ডাকেন না ডাকেন? আর কদুশের মার মিসাইল আছে না নাই মিশাইল ঈমানদার মেহমান নামাজ আপনি এমন বড় মেহমান নামাজ যে মেহমান হোক না কেন আপনি রসূের মেহমান নাওয়াজিতে তার কলিজা ঠান্ডা হয়ে যায়। আমরা তো মেহমানদারী করি মুখ দেখে চোখ দেখে আত্মীয় দেখে গাট্টি দেখে ঠিক ঠিক কিনা >> ঠিক >> চৌমনি থেকে যদি সিংেরা সমস নিয়ে মেহমান


চলে আসে বলে দিইলি টি হাম করে দে [সশব্দ হাসি] আর যদি বড় ফুল ফুলকলি এগুলাতে বলে মাত্র একটু বেশি গড় সোনালী হল বেশি নরম আর যদি ফ্লেভার হাইওয়ে থেকে বাক্স নিয়ে আসে দেশি ঘুরালো গোসতল ঠিক আ মেহমানদারি করে গাট চাই আর নবী হনিকের গাট্টি চেহারা চায় মেহমানদারী নগরে রাজা বাদশার যেখানা নিশ্ব মানুষের সেখানা বড় করে বলুন তেলে ঝুলেমা ফুল বুন গোসত খাদি ডাগদি আরেকজন কাচা মরিচ ফুজ মরিচ বর্তমানে আছে না নাই >> তোমার পয়সার কোন দাম নাই হাজেরিন পাঁচ নম্বর হলবিক ইয়া রাসূল্লাহ আমি খদিজা দেখেছি আপনার মধ্যে আর পাঁচ নম্বর গুণ হল সত্য বিষয়কে


বলতে সত্য প্রতিষ্ঠা করতে আপনি কুন্ঠিত হন না ভয় করেন না পরোয়া করেন না কে গোসসা হবে কে বেজার হবে ওগুলা আপনি দেখেন না সত্যকে আপনি প্রতিষ্ঠা করে ছাড়েন। সুবহানাল্লাহ বলুন। >> কয়টা হল? >> এ হল আমার নবীর আখলাক আদর্শ। কোরআন আসার আগে থেকে আমার নবীর ভিতরে এগুলা ছিল। কেন? আমার নবী কোরআনের শিক্ষা এখানে নয়। ওখান থেকে শিখে এসেছেন। >> এটা বলেছেন যে আলা হযরত। আজিম তেরি খলক হকনে জমিল কিয়া কই তুজেসা হুয়া হে না সাহা তুই তুজেসা হুয়া কই তুজসা হুয়া হে না সাহা তেরে খালেক হুসন আদা কি কসম হে কালামে


ইলাহিমশাম সদ চেহেরা নূরে ফাজা কি কসম কসমেশা সব তারমে রাজি হাবিব কি জুলফে দোতা কি কাসম হ কালেমেলাশমদ না আরশে তেরামে রাজে রুহে আমি তুই সারে হার দোজাহা হেশা তেরা মিসল নেহি হে খোদা কি কাসম হে কালামেলা শামসুদহা উচ্চ আওয়াজে বলুন না >> সুবহানাল্লাহ তুই বান্দ পে করতা হে লুতফ হে তুজে পারসা তুজে দোয়া মুঝে জল পাক রাসুল দেখা আমিন বলুন সবাই জল পাক রাস দেখা তুজে আপনে উলা কি কাসম হলাম আমার পেয়ারা নবী এই সর্বপ্রথম কোরআন আসলো নবুয়ত প্রকাশ করবেন আবু বকর ছিলেন ব্যবসার কারণে সিরিয়ার মধ্যে। কোথায়? >> সিরিয়া।


>> সিরিয়ার মধ্যে গিয়েছেন ব্যবসা নিয়ে। আবু বকর বড় মার্চেন্ট মানুষ, ব্যবসায়ী মানুষ, ধনাঢ্য মানুষ। আবু বকর বড় বিচক্ষণ জ্ঞানী মানুষ, প্রভাবশালী মানুষ, নেত্রীগোচর মানুষ। আবু বকর সিরিয়ে গিয়েছেন ব্যবসা নিয়ে। ওখানে তাবু বলেছেন একটা গাছের নিচে গাছের পাশে ছিল একটা ইহুদিদের গির্জা ইহুদিদের গির্জা ছিল ওই গাছের নিচে তাবু ফেললেন ওখানে যখন আবু বকর সিদ্দিক শুয়ে পড়েন ঘুম এসে যায় স্বপ্নে দেখলেন আসমানের চাঁদ আবু বকরের কোলের মধ্যে এসে গিয়েছে >> সুবহানাল্লাহ আবু বকর স্বপ্ন দেখে বিচলিত হয়ে যায় ঘুম থেকে জাগ্রত হয় কি দেখলাম এটা তো তাবির


তো নিতে হবে আসমানের চাঁদ কেন আমার কোলে আছে এটা কি দেখলাম খবর নিলেন এটা কি বলে ইহুদিদের গিরজা ওখানে কে আছে বলে আমাদের বড় হুজুর উনি কে বলে পাদরী রাহেব 130 বছর বয়স চোখের ব্রু রেকে গিয়েছে পলক পেকে গিয়েছে চোখ ভরে গিয়েছে উনি এভাবে হাত দিয়ে চোখ তুলে মানুষকে দেখতে হয় বলে আমি উনার সাথে দেখা করতে চাই খাদেমের সাথে যোগাযোগ হলো দেখা করার অনুমতি নিলেন। বলে আরবের একজন মানুষ মক্কা শরীফের একজন মানুষ হুজুরের সাথে দেখা করতে চাই। আমি শব্দের তাবির নেবো। ভিতরে গেলেন অনুমতি নিলেন গেলেন কাছে হুজুর আমি তো এসেছি ব্যবসার


জন্য তাবু পেলেছি ওই গাছের নিচে ওখানে স্বপ্ন কেন দেখলাম আকাশের ছাদ আমার খুলে এসেছে ওই ইহুদিদের বড় রাহেব পাদ্রী পন্ডিত থাকতে কিতাব নেয় তৌরিত পাতা খুলে তৌরিত খুলে বলে নাম কি বলো? বলে নাম তো আবু বকর। আবু বকর চেহারার দিকে দেখে। আবার কিতাবের পাতার দিকে দেখে। নাম কি? আবু বকর। বাবার নাম কি? বলে আমার বাবার নাম তো ওসমান। ডাক নাম আবু কোহাবা। মায়ের নাম কি? বলে আমার মায়ের নাম তো সালমা। বাড়ি কোথায়? মক্কা শরীফ এটা কি রকম জায়গা বলে ছোট ছোট পাহাড় আছে নি আছে আর কি আছে বেশি বেশি খেজুর গাছ আছে নি আছে ও আবু বকর তুমি যদি সেই স্বপ্ন দেখে থাকো এখান থেকে


সামনের দিকে এক কদমও যাবে না নবী আখেরুজ জামান দুনিয়ার মধ্যে তশরীফ নিয়ে এসেছেন উনার জহুর করে ফেলবেন ওনার হাতে তুমি সর্বপ্রথম ইসলাম কবুল করবে। তুমি আকাশের চাঁদ তোমার কাছে খুলে আসতে দেখেছো যে নবীর সিনায় পাক থেকে ঈমানের সর্বপ্রথম দৌলত তুমি আবু বকর লাভ করবে। >> এ আবু বকর চলে যাও চলে যাও। উনি তোমার অপেক্ষায় বসে রয়েছে। ওখান থেকে কয়েকটা কসিদার লাইন কাগজের মধ্যে লিখে ওই পাদ্রী আবু বকরকে দিলেন। এ কাগজটা উনার হাতে দেবেন। আমি দিয়েছি বলবেন। এ মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের হাতে। এ কাগজটা দেবেন। আবু বকর সোজা ব্যাগ করে চলে আসলেন


মক্কা শরীফ। নবীকে তালাশ করতে লাগলেন। নবীকে তালাশ করতে লাগলেন। কোথায় রসূ? কোথায় রসূ? যখন রসূলের সামনে গিয়ে হাজির আস্তে আস্তে মুচের মুচকি মুচকি হাসতেছেন দেখতেছেন আবু বকর বলে আসছিতো বলে আমি কলমা পড়বো মুসলমান হব ইসলাম কবুল করব ইয়া রাসূল্লাহ আপনি তো আল্লাহর নবী শেষ জমানার নবী ইমামুল আম্বিয়া সাইয়েদুল মুরসালিন আমি আপনার উপর ঈমান আনবো কিন্তু আপনি যে নবী সেটার দলিল স্বরূপ আমাকে কিছু একটা দেখান। আমার নবী বলেন কি দেখবে যে কি দেখতে চাও? বলে যে কোন একটা দেখালে আমার ঈমানটা চাঙ্গা হয়ে যাবে। >> কেরামত ডাইলে মানুষ পলনি যাই না?


>> হয় না নয়? মারে মা পানি দিবা। যার এক ফোটা পানি গর্ লাগে। একিন বহুত সমতদের আমলের মাধ্যমে। কির মাধ্যমে? আমলের মাধ্যমে আজমত যাইতে পারে গেলে ঈমান ন লাগে যুগী জয়পাল খাজা গরীব নেওয়াজের সামনে দেখাইতে দেখাইতে দেখাইতে অনর গোলা বিশাল বিশাল অনর গোলা মারদে গোড়া ইন্ডিয়ার ভারতের জাদুগীর বেগুন একত্র হয়ে গাউস পাক গরীব নেওয়াজের 40 জনকে আগুনের গোলাম মারে ওই যে বৃত্ত ঠান্ড দিয়ে 40 জন নিয়ে গরীব নেওয়াজ দাগের ভিতর বছর হয়েছে ডাক বরাবার আসলে আগুন পানি হয়ে যায় >> বিশাল বিশাল অজগর সর্প আসতেছে হা করে ফেপায় ফেপায় আসতেছে ওরে মুসল্লি জন


মুসলমান তো টালি খোদা আবর পেট যেন কাছে আলি ও গলায় গোলাকারের কাছে আসলে সাপ মাটির সাথে মিশে যায় বড় করে না সুবহানাল্লাহ আল্লাহ ল্লাহ তুই যার কৌশল আছে তোর দিব নাদুয়া আছে মাকের আরদুয়া আছে জাকের সম নাই মাকের গরীব জ এর সামনে যুগী জয়পাল আসলো। যুগী জয়পাল এসে গরীব নেওয়াজের সামনে তার ক্ষমতা দেখাতে লাগল। সৈন্যের উপর শূন্যের উপর উড়ে যেতে যেতে যেতে যেতে যেতে একদম চোখের নাগালের দৃষ্টির বাইরে চলে গিয়েছে। কন উড়ে দেইয়া। বোনা কন ব যুগিম যুগে ম্যে আগে জয়পাল আকাশে তুরে দেই অলিদে না বলে না [সশব্দ হাসি] কাফের কি কাফের কেন অলি হব


এগিন কি এগিনতেজ আমল করে প্রশিক্ষণ নিয়ে এ কাজ করা আকাশে উঠলে অলি না পানির মধ্যে ভাজলে অলি না আমার নবীর সুন্নতের উপর অটল থাকতে পারা এটাই হল ওলি এ গরীব নেওয়াজ বান্দা নেওয়াজ যুগী জয়পাল উপরে চলে গিয়েছে হুজুর খাদেম বলে বহুত উরে গেদ গে গরীব নেওয়াজের পায়ের মধ্যে হরম ছিল হরম চিন না ও ব্রিফিল লেদার উদ্দি দেখি ডা হরম তুই জয় সুবহানাল্লাহ জয় জাদুগর গরীব নেওয়াজ ধরি মাথার উত বাজতে গরীব নেওয়াজের সামনে দফর করে ফেলাই সুবহানাল্লাহ >> সুবহানাল্লাহ তলে যুগি জয় বালের ক্ষমতা আর গরীব নেওয়াজের খরম ডাকে কোন অস্তিত্ব আছে না


>> এবার নাম গরীব নেওয়াজ না জোতার ক্ষমতা যদি হয় জাতের ক্ষমতা নামে মোবারক লাভ পার খাজা পিয়াকা নামে মোবারক লাভ পার খাজা পিয়াকা আজ আর কালবি রেহেগা নামে মোবারক লাব পার খাজা পিয়াকা খাজা পিয়াকা আজ বি হে র কাল রেগা সুবহানাল্লাহ বলুন সরকারনে ভেজা মক রহমত কাজানা দেখার আয়ে হবা ভারতকে সুলতানকারে আব হুকুমত হো হেগা আব তাক হুকুমত রহো আজ হ কালবি রহেগা নামে মোবারক লাব পার খাজা পিয়াকা খাজা পিয়াকা আজ হ র কালবিরেগা হাজা হাবিবুল্লাহ মাতাফি হববিল্লাহ কুদরত নে লেখ দিয়া হে কেশানে আল্লাহ আল্লাহ সুবহানাল্লাহ হাবিবুল্লাহ


মাতাফবিল্লাহ কুদরতনে লেখ দিয়াশানে আল্লাহ আল্লাহ আব চার রহেগা আবতাক চরচাহেগা আজ হ আর কালবি রেহেগা নামে মোবারক লাব পার খাজা পিয়াকা আজ ভি হে র কালবি রহেগা বড় করে বলুন সুবহানাল্লাহ গরীব নেওয়াজের নাম আছে না স্মরণ আছে না ইয়াদ আছে না চিশতি কমিটি আছে না খাজা রোড আছে না খাজা টেলার আছে না খাজা ফার্মেসি আছে না খাজা লিল্লা বোর্ডিং আছে না আছে ঈমান মিশিয়া ঈমান দিয়ে দে নাই তো বেচ দিনে দি দে গরীব নেওয়াজে দিয়ে না এই ভারতবর্ষ পাকিস্তান ইন্ডিয়া বার্মা বাংলাদেশ ভুটান নেপাল শ্রীলঙ্কা সবগুলো মিলে অখন্ড ভারত এই ভারতে ইসলামের


প্রদীপ চালিয়েছেন গরীব নেওয়াজ >> এজন্য আমরা তাকে বাবা বলি কি বলি খাজা খাজা বাবা বলি শিখ যারা আছে এরা বল বাবা কেন বল তোমাদের মায়ের নেক লাগেনির হারামজাদা বাবা ডাক দি নেক লাগে না বাপ ডাকি মার নেন পরে রিক্সাওয়ালারে বাজি কেন মাঝালারে ওয়াবাজি কেন আছে গাড়িত বুড় মানুষ ওয়াবাজি কেন আছে শিখে গুনে বদ মাইষে বাজান ন ডাকে মাল লাই হরাত লাই বাপ ডাকেন না ডাকেন >> এগুন কি তোরার মার নেক লাগে না বাপ ডাকি মার নে যে বুড়ো আছে বাপের স্থান চাচা বাপ না বাপ চাচা আরবি চাচার বাপ নাকি ইব্রাহিম আলা সলামহ মধ্যে আব শব্দ ব্যবহার চাচার অর্থে


সুহানাল্লাহ ইব্রাহিম সালামের চাচা কিন্তু মোল্লা ইব্রাহিম আলাই বাপ কাফের আজর কি বাপ না চাচা গান্ডু মাওলানা গুগওলানা মাওলানা গুগ ইব্রাহিম সালামের বাবা ছিল আজর আর কোরআন হাদিসে বলে যে ইব্রাহিম আলাইহি সালামের চাচা হল আজর বাবার নাম হল তারুখ ইব্রাহিম সালামের বাবার নাম কিতারুক উনি মন ছিলেন মহেদ ছিলেন উনি ফিতরতে আদমের উপর ছিলেন ইব্রাহিমের উপর ছিলেন সুবহানাল্লাহ >> আর নবীর বংশনিকে কাফের নোয়াজিল ইব্রাহিম সালাম নবীর বংশ ইসমাইল সালাম নবীর বংশ কিন্তু ডবলিউডব আছে এগু নবীর মা বাবার কাফের না বড় করে নাউজুবিল্লাহ


নবীর মা বাপ জাহান্নাম আর নবী উম্মত খুশি মজা মারিবল কুত্ত মুতি মানুষ অন্তত দুই যাই আলত কুত মুতি এই শিখে গুনে নবীর মা বাপরে কাফের বোধ আছে না নাই বড় করে বলুন নাউজুবিল্লাহ >> আদম আলা সালাম থেকে আমার নবীর মা আমেরা পর্যন্ত যতজন পুরুষ যতজন মহিলা এখানে কেউ বেইমান কাফের মুশরিক বুট পূজারী মূর্তি পূজারী ছিলেন না সবাই ঈমানদার ছিলেন নবী ছিলেন ওলি ছিলেন মসজাব ছিলেন খোদা প্রদত্ত বিশেষ গুণের অধিকারী ছিলেন ইনারা আল্লাহওয়ালা ছিলেন মহেদ ছিলেন। সবাই মস্তাজাবুদা দাওয়াত ছিলেন। সবাই নিখুত পাক পবিত্র ছিলেন। >> সুবহানাল্লাহ।


>> আমেনা আমেনা ইসমেয়েল ময়স। আমেনাতুন আমেনুন মুজ আমেনাতুন ময়স। আমেনা মানে কি? আমানতদারিনী। নামিয়ে নবী আগমার নাম আমেনা বুঝা মুসলমান কাফের নাম আমেনা নবীর বাগ নাম আব্দুল্লাহ আবদুল্লাহ নবী দুনিয়া পরে হাদিসল্লাহ আবদুল্লাহ আব্দুর রহমান আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় নাম হল দুইটা একটা হল আব্দুল্লাহ আরেকটা হল আব্দুর রহমান ইন নবী দুনিয়াতে আয়েবারের পরে হত দেয়। কিন্তু দুনিয়া আয়েবের আগেও বাপের নাম আব্দুল্লাহ আছিল নো আছিল? >> তো আব্দুল্লাহ কি কাফেরের নাম না মুসলমানের নাম? >> এই সমস্ত জানোয়ার এগুলোর আকলত কুত্তা হই


মূর্তি দেও না। কনে মুই দেয়? >> কুত্তায় কয় না। কনে? >> নামে হত দেবে মুসলমান। মাও মুসলমান, বাপও মুসলমান। কিন্তু মোল্লায় হদ্দে নবীর মা বাপ কাফের ছিল জাহান্নামে যাবে। নাউজুবিল্লাহ >> এগুলোরে কি কইতাম চাই কও >> বড় করে ক নাউজুবিল্লাহ >> ইতারা আহলে হাদিস বলি ইসলামের হেফাজতকারী বলি আছে না নাই >> আল্লাহ এ সমস্ত নতুন দেশে হেফাজত করন বন্ধু আবু বকর সিদ্দিক বললেন ইয়া রাসূল্লাহ কিছু যদি দেখান আমার ঈমান চাঙ্গা হয়ে যাবে আমার নবী বলেন আবু বকর কি দেখবেন আমার নবী বলেন আপনি যা দেখান তা দেখব আমি


দেখাবো না কিছু তুমি আগে বল তুমি ব্যবসায় যাও নাই বলে গিয়েছি নাই পসেছি গাছের নিচে ঘুমাও নাই ঘুমিয়েছি ওখানে স্বপ্নে দেখো নাই স্বপ্নে দেখেছি আকাশের সাপ তোমার কোলে আসতে দেখো নাই দেখেছি স্বপ্নে দেখে তুমি বিচলিত হও নাই হয়েছি এ তাবির কা থেকে নেবে মানুষের কাছে কে আছে জিজ্ঞেস করে পাশে একটা গিরজে আছে না আছে ওখানে যাও নাই বলে গিয়েছি উনি কিতাব নিয়ে তোমার দিকে দেখে কিতাবের পাতার দিকে দেখে তোমার স্বপ্নের তাবির করে দিছে কিনা বলে দিছে তো আপনি কিভাবে জানেন আপনি তো মক্কা শরীফ আমি তো সিরিয়া আরো এগুলো প্রকাশ্যে দেখি নাই ঘুমের মধ্যে দেখেছি


আমার ঘুম কিভাবে আপনি জানেন বলে আমি শেষ জামানার নবী তোমার ঘুম পর্যন্ত আমার চোখ থেকে গোপন নয় >> ওরে কই গায়েবে তুমি নিহা ভলা র কই গবে ম হলা র কই গবে মস নিহা হলা না খোদা ছুপা জব না খোদা ছুপা মারো দরদ সালাতুনিয়া হাফি দুশমন খবিমান খবি মতো পির খির খফ মপে কারো দরুদ সালাতুলিয়া যায় না জব তাক গোলাম হলদে সব পার হারাম যায় না জবক গোলাম খুলদে সব পার হারাম মিলক তু হে আপকা মিলক তো হে আপকা ম করো দরুদ সালাতু আলা হযরত বলতেছেন ইয়া রাসূল্লাহ ইয়া হাবিবাল্লাহ আপনি যদি আমার পক্ষে থাকেন আপনি যদি আমার সাপোর্টার থাকেন আমি কাউকে এই জমিনে ভয়


করি না বোমা হোক মিসাইল হোক রাইবেল হোক ইহুদি হোক নজর হোক কাফের হোক মুশরেক হোক ইয়া রাসূল্লাহ আপনার সাপোর্ট যদি আমাকে আমার দিকে থাকে তাইলে কোন শক্তি কোন শয়তান দুষ্ট আমার একটা ক্যাচ পর্যন্ত ছিড়তে পারবে না >> আল্লাহু আকবার বলেন সুন্নি রাইতের পর নির্গুম চিল্লা চিল কিছু নর দেখি সুন্নি হল অস্ত্রতো আল্লাহর রসূল আউলিয়া কামার হাজ আবু বকর সিদ্দিক বলেন ইয়া রাসূল্লাহ আপনি কিভাবে দেখলেন আমার স্বপ্ন কিভাবে মক্কা শরীফ আপনি মক্কা শরীফ আমি সিরিয়ার মধ্যে যে নবী জাগ্রত অবস্থায় যেই নবীর চোখ থেকে আমি সিরিয়ার জমিনে আমার


শব্দ পর্যন্ত গোপন নয়। আমি আর দেরি করব কেন? পড়ে দিলেন আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুল্লাহ ও রাসুলুহু আবু বকর সিদ্দিক ইসলাম কবুল করে ফেললেন >> আবু বকর সিদ্দিক আমার নবীর ঈমান কবুল করলেন ইসলাম কবুল করলেন গর্দন ঝুকিয়ে দিলেন নবীর কদম কানে নিয়ে নিলেন। সর্বপ্রথম নবীর সিনা পাক থেকে ঈমানের দৌলত নিলেন। আল্লাহ আবার জিবরীলকে পাঠাচ্ছেন। ও জিব্রল আমি খোদার আজকে বেশি খুশি লাগতেছে। [সশব্দ হাসি] তুমি একটু জমিনে যাও। আমার নবীকে শুনা দাও। আমার নবী সত্য নিয়ে আমি পাঠিয়েছি নবীকে।


দ্বীন নিয়ে কোরআন নিয়ে ইসলাম নিয়ে নবুয়ত রেসালত নিয়ে এই সত্য নবীর সত্য দ্বীন কোরআন কিতাব ইসলামকে সর্বপ্রথম যিনি মেনে নিয়েছেন যার সামনে গর্দন ঝুকিয়ে দিয়েছেন সবার আগে সারে তাসলিম খম করে দিয়েছেন ঈমান কবুল করে দিয়েছেন আবু বকর সিদ্দিক ঈমান এনেছেন জাবিিদিকে সত্য নিয়ে এসেছেন যিনি তিনি হলেন নবী ও সত্যকে যিনি তস করেছেন মেনে নিয়েছেন কবুল করেছেন তিনি হলেন আবু বকর সিদ্দিককার ভিতরে আছে আবু বকর সিদ্দিক সিদকের ভিতরে আবু বকর সিদ্দিক মুততাকুন ওখানেও আছে আবু বকর সিদ্দিক সুবহানাল্লাহ বলুন তবে মজার বিষয় হল বড় মজার বিষয় হল


যদি বুঝি আল্লাহ বলেন ওল্লাজি এক বচন কি বচন এক বচন ল্লাজ এক বচন জ এক বচন বিি এক বচন ওদাকা একবজনকবিহ একবচন নবী এসেছেন সত্য নিয়ে একজন আর ও সত্যকে মেনে নিয়েছেন আরেকজন দোনোটা একবচন এসেছেন একজন মেনেও নিয়েছে একজন বুঝে তাই না বুঝতেন না সত্য নিয়ে এসেছেন একজন সত্যকে মেনেছেন একজন এখানে সবগুলো আল্লাহ বলেছেন সিঙ্গুলার পরে গিয়ে বলতেছেন উলাইকা এবে তো বহুবচন উলাইকাম বহুবচন আল মুততাকুন বহুবচন সবগুলো বললেন পরে উলাইকা মতন তারপরে আবার বলতেছেন লাহুমনা লাহুম বহুবচন মাশা বহুবচন বহুবচন লাহুমাশাউনা মস মসনি এটাও বহুবচন ওখুদা ঈমান নিয়ে এসেছেন


একজন রসূ ঠিক আছে ঈমান কবুল করেছেন একজন আবু বকর ঠিক আছে তারপরের শব্দগুলো তুমি বহুবচন কেন বললে বলে ঈমান যদি আবু বকরের মত হয় সে হল ঈমান যদি আবু বকরের মত হয় সে হল মুত্তাকী। আখলাক যদি আবু বকরের মত হয় কেয়ামত পর্যন্ত যে সমস্ত মানুষের ঈমান আবু বকরের ঈমানের মত হবে। আবু বকরের তকওয়ার মত হবে, আখলাকের মত হবে, স্বভাবের মত হবে, সদাকতের মত হবে, কোরবানির মত হবে, নামাজের মত হবে, রোজার মত হবে, আমলের মত হবে, সুজাতের মত হবে, সখাতের মত আবু বকর সিদ্দিকের মত হলে আমি খোদা তাদেরকেও মুত্তাকী বলে দিলাম। আবু বকর তারপরে মুত্তাকী।


আবু বকরের মত ঈমান হলে তার নাম কি মুত্তাকী আবু বকরের মত আক হলে তার নাম আছে কে রস সুহানাল্লাহ আবু বকর নিতল্লাহ তাকে নামাজ পড় খাস আল্লাহ নামাজ আল্লা নামাজ আল্লায় আল্লাহ আল্লাহ নামাজ পড় দে নবীরে তাজিম করবার কোন সুযোগ আছে না আছে বলি কও না >> আছে বলি ক না আবু বকর দেখা দি না ন দে >> আমার নবী বলেন ইন্তেকালের পূর্ব মুহূর্তে 17 ওয়াক্ত নবী নামাজ পড়ান নাই অসুস্থতার কারণে দুর্বলতার কারণে অপারগতার কারণে নবী নামাজ পড়ন নাই রোম থেকে নির্দেশ দিলেন মরু কে আছো আবু বকরকে বল আমার পেশ মসল্লায় দাড়াতে ইমামতি করতে বেলালকে বল আজান দিতে


সুবহানাল্লাহ আশেকে মোস্তফা কি আজান আল্লাহ আল্লাহ কিতনা সদ আল্লাহ আল্লাহ কিতনা সদ আরশ সুনতাজ আরশ বলে বিছ আজাদি আজানে বেলালি বরদ জুলি বরদ জুলি তাজিদারে মদিনা লটকার মনে যাউা খালি উনবাস সদকা দারে আয়া সহ আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু তালা আমার নবী বললেন আবু বকর আবু বকরকে বল আমার জায়গায় দাঁড়িয়ে ইমামতি করতে বেলালকে বল আজান দিতে উম্মুল মুমিনন মা আয়েশা সিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহা আবু বকরের বেটি আমার নবীর স্ত্রী সারা দুনিয়ার ঈমানদারের মা >> উনি বলেন ইয়া রাসূল্লাহ আমার বাবার অন্তর একদম নরম রিকতে কাল উনি আপনার জায়গায়


দাঁড়িয়ে নামাজ পড়াতে পারবেন না উনি কান্নাকাটি শুরু করে দেবেন আপনার জায়গায় দাঁড়াতে পারবেন না। উনি নামাজের মধ্যে হেচকিয়ে কান্নাকাটি করবেন। আপনাকে না দেখলে উনার কান্নাকাটি থামাতে পারবে না। ও ইয়া রাসূল্লাহ আমার বাবাকে না দিয়ে আরেকজনকে দেন না। ভালো হবে। আমার নবী আবার বললেন মুরু। আবু বকরি আবু বকরকে বল আমার জায়গায় দাঁড়িয়ে ইমামতি করার জন্য নামাজ পড়ানোর জন্য আয়েশা সিদ্দিকা আবার বলেন ইয়া রাসূল্লাহ আমার বাবার নরম দিল উনি আপনার জায়গায় দাঁড়িয়ে নামাজ পড়াতে পারবেন না কান্নাকাটি করবেন আপনাকে না দেখলে উনিশারা


হয়ে যাবেন আরেকজনকে বলুন নবী আবার বললেন এগ বুখারী শরীফের হাদিস আমার নবী এবার রাগ করে বললেন একবার দুইবার তিনবার বলতেছি বারবার রিপ্লাই করতেছো রিপিট করতেছো কেন? তোমরা ইউসুফ আলাইহি সালামের পরিবারের সদস্যের মত আমার সাথে তর্কে লিপ্ত হচ্ছ কেন? আমি যা বলি তাই হবে। আবু বকরের ইমামতি ছাড়া আল্লাহর কারো ইমামতি আপাতত কবুল করবে না। >> কারণ এই নির্দেশের ভিতর আমার নবীর একটা গোপন রাজ লুকানো ছিল। সেটা হলো নবীর পরে নবীর দায়িত্ব। আবু বকরের কাঁধে যে আসবে সাহাবায়ে কেরাম কিভাবে উনাকে মানতেছেন এটা নামাজের একটাদার মধ্য মাধ্যমে প্রমাণ


করা। সুবহানাল্লাহ। >> তো 17 ওয়াক্ত নামাজ পড়ায়েছেন। বেলাল আজান দিয়েছেন। আবু বকর ইমামতি করেছেন। লাস্টের দিকে এসে নবী আবার বললেন নামাজ পড় আমি আসবো না। সবাই আবু বকরের পিছনে নামাজের একতেদা করে ফেলেছেন। আমার নবী জানালার পর্দা সরাইয়া একটু দেখলেন মুচকি হাসলেন। বাহ আমার আর কোন চিন্তা নাই। আমার পরে আমার আবু বকরের নেতৃত্বকে আমার সমস্ত সাহাবীরা একতেদার মাধ্যমে মেনে নিয়েছে আবু বকর সিদ্দিক ঈমান নিয়ে আসলেন আমার নবীর সাথে নবীর ইন্তেকালের পূর্বে নামাজের ইমামতি করতে বললেন। মুরু আবু বকরিন আবু বেলাল আজান দিল। সাহাবায়ে কেরাম মসজিদ


ভর্তি হয়ে গেলেন। আবু বকর সিদ্দিক ইমামতির মজল্লায় দাঁড়িয়ে গেলেন। দুই রাকাত নামাজ পড়ায়ে ফেললেন। আমার নবী তো আসবেন না বলেছেন। পর্দা খুলে দেখেছেন। আবার টেনে দিলেন। দেখা যায় দুই রাকাত গেলে মসজিদের মধ্যে আওয়াজ হচ্ছে। >> সুবহানাল্লাহ কন। >> সুবহানাল্লাহ। >> মসজিদের মধ্যে আওয়াজ হচ্ছে। তাসবি তাসবি তালি দিচ্ছে সাহাবীরাশি দিচ্ছে কারণ সাহাবীরা দেখতেছে আমার নবী কামরা মোবারক থেকে বের হয়ে কাতারের ফাকে ফাকে চলে আসতেছেন এই সমস্ত সাহাবীরা মতলশীবা বলে কেবলামুখী হয়ে মদিনা শরীফ থেকে দক্ষিণ দিকে কেবলা এইভাবে দক্ষিণ দিকে নিয়


বেড়েছেন আমার নবী যখন কামড়া থেকে বের হয়ে চলে আসতেছেন সাহাবায়ে কেরাম সবাই নবীর দিকে দেখে রয়েছেন নিয়ত বাধা আছে শীষ দিতে শুরু করলেন হাতের তালুতে বাড়ি দিতে শুরু করলেন তালি এভাবে এক হাতে এনে এ হাতে এভাবে তালি দিতে শুরু করলেন নবীজি আস্তে আস্তে আস্তে আস্তে কাতার দিয়ে সামনের দিকে চলে গেলেন আবু বকর পেশ মসল্লার মধ্যে আবু বকর দেখে রইলেন নবীর দিকে। নবীকে দেখা মাত্র আবু বকর সিদ্দিক পিছে নেমে যাচ্ছেন। পিছে নেমে যাচ্ছেন। জায়গা পেশ মসল্লা থেকে নিচের দিকে নেমে যাচ্ছেন। আমার নবী হাত দিয়ে ইশারা দিলেন ও আবু বকর তুমি নামবে না। আমি নামাজ পড়াবো


না। তুমি নামাজ পড়াইবে। তুমি নামাজ পড়াবে। তুমি ইমামতির জায়গা ছাড়ো না। নবী হাত দিয়ে ইশারা করলেন তুমি নামাজ পড়ো। তুমি নামাজ পড়ো। নামবে না জায়গা। এগিন নামাজ চলত আবু বকরের খেয়াল নবীরে যায়। কি নামাজ নবীর খেয়াল খেয়াল কর গরু গাধার খেয়াল কর নামাজ নবীর খেয়াল করলে জেনা কর বড় পাপ বড় করে নাউজুবিল্লাহদের নামাজ কি সাহাবীদের নামাজ মিল আছে তাদের সাথে >> সাহাবীদের নামাজের সাথে যাদের মিল তাদের নাম সুন্নি >> সাহাবীদের নামাজের সাথে যাদের মিল তাদের নাম >> সুন্নি আবু বকর সিদ্দিক আমার নবী আসার কারণে জায়গা ছেড়ে দিলেন নিচে নেমে গেলেন


ইমামতি ক্যান্সেল করে দিলেন সইচ্ছায় জীবনে এই নির্দেশ আমার নবীর এই নির্দেশ আবু বকর মানে নাই যে শুধু একটা হে আবু বকর জায়গা ছাড়বে না নামাজ পড় এটার নাম মেনে আবু বকর নিচে নেমে গেলেন আমার নবী পেশ মুসল্লা গিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন নিয়ত বেধে ফেললেন নামাজ হল একটা ইমাম হল দুইজন এতক্ষণ সাহাবী আবু বকরের পিছনে একতেদা করেছে। এখন আবু বকর নবীর পিছনে একতেদা করে ফেলেছেন। সুবহানাল্লাহ। >> আমার নবী নামাজ পড়া দিলেন। সালাম ফিরালেন। ঘুরে বসলেন মুসল্লিদের দিকে ঘুরে বসলেন। আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু আমার নবী নামাজ পড়ালেন নবী


ঘুরে বসলেন সাহাবীদেরকে সামনে নিয়ে বসলেন এই কথা বুড়ি। ঠিক না আমার নবী বললেন ও আবু বকর সিদ্দিক এ আবু বকর আমি আসবো না বলেছিলাম তোমাকে ইমামতি করতে বলেছিলাম তুমি নামাজের নিয়ত বেধেছো দুই রাকাত পড়ায়েছো আমি নবী এসে গেলাম সাহাবীরা আমাকে দেখে শীষ দিল হাতের তালুতে তালি দিল তুমি আমাকে দেখে জায়গা ছেড়ে দিলে আমি তোমাকে হাত দিয়ে ইশারা করলাম ও আবু বকর জায়গা ছেড়ো না আমি নামাজ পড়াবো না তোমার ইমামতি ছেড়ো না তুমি আমার কথা না মেনে জায়গা ছেড়ে দিলে কেন আবু বকর কত ঈমানি জবাব দিয়েছেন জবাব দিয়েছেন আমার নবীর কত প্রেমের জবাব


দিয়েছেন রাসূল্লাহ এটা বুখারীর হাদিস বলতেছি আপনি তো এসে গিয়েছেন আসবেন না বলেছেন যে এজন্য আমি আপনার জায়গায় দাঁড়িয়েছিরে [সশব্দ হাসি] আপনি যখন এসে গিয়েছেন আপনি আমার পিছে দাঁড়াবেন আমি আপনার আগে দাঁড়াবো এই আবু কহাবার টা আবু বকরের এই অধিকার নাই আপনাকে পিছ দিয়ে আপনাকে পিছে রেখে আপনাকে পিছে রেখে আবু গবার ছেলে আবু বকর আগে দাঁড়িয়ে আপনার জায়গায় দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ার কোন অধিকার আবু বকরের কাছে নাইমাজ নবীরে তাজিম নামাজ আল্লাহ কেবল আল্লাহ কিন্তু কেবলা কলব কেবলা আল্লাহর রসূলা হযরতে ওশাক রজ সজদে শুয়েম ঝুকে সজদেম


ঝুকে আল্লাহ জানতা নিয়াত কিদার কি হয়া আল্লাহু দিবার লাই কলব কাবার কাবার নবীর নবীর গরীব দিল কাবাজ মিসকি হাসান হারবাস আপনি হলেন আমার কলবের কেবলা আমার জানের কেবলা রুহের কেবলা আমার মাথা দিয়ে খোদাকে সিজদা করি কলব দিয়ে আপনি রসূকে নাম নামাজ নামাজ নবীর হযরতে ইমামে আয়াত শিফা শরীফের মধ্যে বলেন ও নামাজ দুই রাকাতের মধ্যে বসে আসালা তুলিল্লাহ সালাতবা বলে তুমি যাও চুপ হয়ে যাও তারপরে তোমার কলবের মধ্যে নবীকে হাজির করো যখন তোমার একিন হয়ে যাবে নবী আমার সামনে হাজির আমার কলবে হাজির সম আসসালামু আলাইকা আইুহ ওাহমাতুল্লাহ


ওবাদ বারাকাতুহু >> নবীরে সামনে হাজির একিন হইলে তারপরে নবীরে সালাম দিবে বড় করে নামাজ এভাবে ছাড়া নামাজ পড়লে নামাজকে তো আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু প্রমাণ করে দিলেন ফারুক আজম প্রমাণ করলেন ওসমান জিন্নুরাইন প্রমাণ করলেন খোদার হুকুম মানা তখন হবে যখন নবীর হুকুম মানবে নামাজ পড়া ফরজ কিন্তু নবীর তাজিম করা ফরজের আগে ফরজলা ফারজফ সব জমলা আস বন্দেগ নবীর তাজিম সবচাইতে মূল ফরজ নামাজ ফরজ রোজা ফরজ হজ ফরজ যাকাত ফরজ দান বাচন ফরজ এদিন শাখা ফর মূল ফরজ হাজার বছর থেকে সাহাবা কেরাম সদা কেরামতদিন


মুস্তাম মহাদ্দিস পৃথিবীর মানুষকে মুসলমানকে এটাই শিক্ষা দিয়ে আসতে এটা যারা মানে তাদের নাম সুন্নি আর যারা মানে না তাদের নাম জাহান্নামী কুত্তা মুনাফে ঠিক আছে.[




إرسال تعليق (0)
أحدث أقدم